গণমাধ্যম কর্মীরা কারও প্রতিপক্ষ নয়

আপডেট : ২৭ ডিসেম্বর ২০১৮, ২১:৫৩

গণমাধ্যম কর্মীরা কারও প্রতিপক্ষ নয়। তাদের প্রতিপক্ষ করলে পরিণাম ভাল হবে না। ঢাকা জেলার নবাবগঞ্জে দৈনিক যুগান্তর ও যমুনা টেলিভিশনের সাংবাদিকদের ওপর সন্ত্রাসী হামলার প্রতিবাদে বাংলাদেশ ক্রাইম রিপোর্টার্স এসোসেসিয়েশন (ক্র্যাব) আয়োজিত মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ কর্মসূচিতে বক্তারা এ মন্তব্য করেন। গতকাল বৃহস্পতিবার সেগুনবাগিচায় ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি (ডিআরইউ) চত্ত্বরে এই সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

সংগঠনের সভাপতি আবুল খায়েরের সভাপতিত্বে সমাবেশ পরিচালনা করেন সাধারণ সম্পাদক দীপু সারোয়ার। নবাবগঞ্জে সাংবাদিকদের ওপর হামলার বর্ণনা দেন প্রত্যক্ষদর্শী, দৈনিক যুগান্তরের সিনিয়র রিপোর্টার নেসারুল হক খোকন ও যমুনা টেলিভিশনের বিশেষ প্রতিনিধি আব্দুল্লাহ তুহিন। তারা বলেন, গত ২৪ ডিসেম্বর যা ঘটেছে, যে ভয়-ভীতি দেখানো হয়েছে তা বলে বোঝানো সম্ভব নয়। আমরা সন্ত্রাসী হামলার বিচার চাই, নিরাপত্তা চাই।  সমাবেশে আরও বক্তব্য দেন, ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির সভাপতি ইলিয়াস হোসেন, ক্র্যাবের সাবেক সভাপতি এস এম আবুল হোসেন, ডিআরইউ’র সাবেক সাধারণ সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ শুকুর আলী শুভ, ক্র্যাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক কামরুজ্জামান খান ও মাহবুব আলম লাবলু, সাবেক যুগ্ম সম্পাদক আসাদুজ্জামান বিকু ও মোহাম্মদ মোমিন হোসেন, সিনিয়র সদস্য আজাদ হোসেন সুমন ও ক্র্যাবের সাংগঠনিক সম্পাদক রাশেদ নিজাম।

এছাড়া ক্র্যাব ও ডিআরইউ’র সদস্যরা মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশে অংশ নেন। বক্তারা বলেন, জাতীয় নির্বাচনের আগেই হামলাকারীদের শনাক্ত, গ্রেফতার ও আইনের আওতায় আনতে হবে। নবাবগঞ্জে সন্ত্রাসী হামলার শিকার হন ক্র্যাব সহসভাপতি দৈনিক যুগান্তরের বিশেষ প্রতিনিধি মিজান মালিক, যুগ্ম সম্পাদক সিরাজুল ইসলাম, ক্র্যাব বহুমুখী সমবায় সমিতির সভাপতি নেসারুল হক খোকন, সিনিয়র সদস্য মুজিব মাসুদ, আব্দুল্লাহ তুহিন, তানভীর হাসান, ইমতিয়াজ আল মোমিন ও সাজ্জাদ পারভেজ।

মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ থেকে ক্র্যাবের সিনিয়র সদস্য উমর ফারুক আল হাদীর সুনামগঞ্জের গ্রামের বাড়িতে সন্ত্রাসী হামলা ও পুরান ঢাকার বংশালে আরেক সিনিয়র সদস্য মোহাম্মদ মোমিন হোসেনের বাসায় পুলিশি তল্লাশির নিন্দা জানানো হয়।