জেলায় ফলাফলের শীর্ষে। ২০১৩ সালে গোটা বাংলাদেশের মধ্যে দ্বিতীয় স্থান অধিকারের গৌরব অর্জন করে। ছাত্র-ছাত্রী সংখ্যাও অন্যান্য মাদ্রাসার তুলনায় অনেক বেশি। অথচ শ্রেণিকক্ষ সংকটে ভাঙা টিনের ঘরে পাঠদান চলছে উপজেলার তাড়াশ খরখড়িয়া বিনোদপুর কুসুম্বী দাখিল মাদ্রাসায়। শিক্ষার্থী ফারজানা খাতুন, রুবী আকতার, জান্নাতী খাতুন, কাহাফ হোসেন, রিমন খন্দকার, আব্দুস সবুরসহ অনেকে জানায়, এক বেঞ্চে গাদাগাদি করে বসতে হয় তাদের। এরপরও জায়গা সংকটে দাঁড়িয়ে ক্লাস করতে হয়। বৃষ্টি নামলে ফুটো টিন দিয়ে পানি পড়ে। ভাঙা বেড়া ও দরজা-জানালা দিয়ে পানি এসে বইখাতা আর পরনের পোশাক ভিজে যায়। ঝড়ের দিনে দুর্ঘটনার আশঙ্কায় শুরু হয় ছুটোছুটি। এভাবে বছর জুড়ে পড়ালেখায় চরম বিঘ্ন ঘটে।
