সারা বিশ্বে ২০০৮ সাল থেকে ২ এপ্রিল বিশ্ব অটিজম সচেতনতা দিবস পালন করা হয়। বাংলাদেশও এর ব্যতিক্রম নয়। এবারের অটিজম সচেতনতা দিবসের প্রতিপাদ্য বিষয় হলো অটিস্টিক শিশুর প্রাপ্তবয়স্কে রূপান্তর বা সাবালক হওয়া। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে শিশুর মানসিক বিকাশ হোক বা না হোক তার বয়স বাড়তেই থাকবে। শারীরিক গঠনেরও ঘটবে অনেক পরিবর্তন। শিশু থেকে সাবালকে প্রবেশের কারণে তার ওপর আয়-উপার্জনের বিষয়টিও চলে আসবে। তাই বিষয়টির দিকে আমাদের গুরুত্ব দিতে হবে। কিন্তু ছোটোবেলা থেকে শিশু যথাযথভাবে বিকশিত না হলে সাবালকত্বপ্রাপ্তির সময়ে অনেক সমস্যা দেখা দেয়। অভিভাবককে পোহাতে হয় অনেক যন্ত্রণা। শারীরিক গঠনের কারণে ছেলে শিশুর শক্তি বেড়ে যাবে, যার কারণে অনেক অস্বাভাবিক আচরণ নিয়ন্ত্রণ করা অসম্ভব হয়ে পড়ে। মেয়ে শিশুর মানসিক বিকাশের উন্নতি না হলে নিজেকে নিয়ন্ত্রণ করা ও বিরূপ সামাজিক প্রভাব থেকে রক্ষা করা অনেক কঠিন হয়ে পড়ে। তাই বিকাশজনিত বয়স ও কালানুক্রমিক বয়সের মধ্যে একটি সুষ্ঠু সমন্বয় থাকতে হবে। আসুন আমরা এই বিষয়টি অনুধাবন করি ও অটিস্টিক শিশুদের সমন্বয় বিকাশে ছোটোবেলা থেকেই তাদের কাজে নিয়োজিত করি। আর যারা সাবালক হয়েছে, তাদের উপযুক্ত প্রশিক্ষণের মাধ্যমে যতটুকু সম্ভব বয়স ও বিকাশের মধ্যে সুষ্ঠু সমন্বয় করতে সচেষ্ট হই।
মো. জহির উদ্দিন আকন্দ
চিফ অকুপেশনাল থেরাপিস্ট, ঢাকা
