বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, তথ্য গোপন না করে সঠিক তথ্য দিয়ে করোনা রোগের ভয়াবহতা বুঝিয়েই জনগণকে কোয়ারেন্টাইন মেনে চলতে অনুপ্রাণিত করতে হবে। করোনা ভাইরাস সংক্রমণ রোধ, সুরক্ষা ও প্রতিকারে সরকারের পরিকল্পনা সম্পর্কে প্রকৃত তথ্য দিয়ে মানুষের আস্থা তৈরি করা উচিত। গতকাল বৃহস্পতিবার এক ভিডিও প্রেস কনফারেন্সে রহুল কবির রিজভী এ কথা বলেন।
বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার নিরাপত্তার জন্য অবিলম্বে ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পুলিশের আইজিপির কাছে অনুরোধ জানিয়ে রিজভী বলেন, বারবার যিনি গণতন্ত্রকে পুনরুদ্ধার করেছেন, তাকে দীর্ঘ ২৬ মাস বিনা দোষে কারাগারে আটকিয়ে রাখা হয়েছিল। তাকে সাময়িক মুক্তি দেওয়া হয়েছে। তিনি গুলশানের নিজ বাসায় অবস্থান করছেন। এমতাবস্থায় তার নিরাপত্তার জন্য চেয়ারপারসনের একান্ত সচিব আইজি বরাবরে আবেদন করলেও এ বিষয়ে এখনো পুলিশের পক্ষ থেকে কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি।
রিজভী বলেন, সরকারের তথ্য গোপন পলিসির সমালোচনা করার কারণে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে গত কয়েক দিনে বিএনপির ১২ নেতাকর্মী ও চিকিত্সককে গ্রেফতার করা হয়েছে। অবিলম্বে তাদের মুক্তি দিন।
রিজভী বলেন, করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে আনতে রোগের পরীক্ষার ওপর গুরুত্ব দিয়ে আসছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। তবে দেশে পরীক্ষা নিয়ে নানা জটিলতার খবর পাওয়া যাচ্ছে। স্বাস্থ্যমন্ত্রী কিংবা সরকারি পরিসংখ্যানের আপডেট এখন কেউ আর বিশ্বাস করছে না। অন্ধ হলেই কি বন্ধ হবে প্রলয়!
আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের বিএনপিকে সমালোচনার জবাব দেন রিজভী। তিনি বলেন, গণতন্ত্রকে জাদুঘরে পাঠিয়েছেন বলেই সরকারের ব্যর্থতা তুলে ধরাকে অপতত্পরতা হিসেবে অভিহিত করছেন। সরকারের ব্যর্থতা তুলে ধরে সমালোচনা করাকে প্রকৃত গণতন্ত্রে অপতত্পরতা হিসেবে গণ্য করা হয় না। আপনাদের গণতান্ত্রিক মানস নেই বলেই সমালোচনা শুনলেই ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন।
