বাঘা (রাজশাহী) সংবাদদাতা
করোনা মোকাবিলায় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে জ্বর, সর্দি-কাশির রোগী এলেই দূরে সরে যাচ্ছেন চিকিত্সকেরা। তবে চিকিত্সকেরা বলছেন, সাধারণ মানুষ কোনো নিয়ম মানছে না, একজন রোগীর সঙ্গে ১০ জন হাসপাতালের ভেতরে ঢুকে পড়ছেন। বাঘা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের প্রধান কর্মকর্তা আক্তারুজ্জামান বলেন, এখন পর্যন্ত তারা করোনা মোকাবিলার জন্য সুরক্ষিত থাকার পোশাক (পিপিই) ও মাস্ক হাতে পাননি। তবে গতকাল শুক্রবার দুপুরের পর সেটা পাবেন বলে আশা করছেন। করোনা রোগীর জন্য বাঘা হাইস্কুলের একটি কক্ষে আইসোলেশন সেন্টার করা হয়েছে বলে তিনি জানান। চিকিত্সকেরা বলছেন, এতদিন এসব সরঞ্জামের অভাবে তারা জ্বর, সর্দি-কাশির রোগী থেকে দূরে সরে থেকেছেন। পোশাক পাওয়ার পর ব্যবস্থা নেবেন।
উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা বলেন, প্রতিটি ইউনিয়নে একটি করে স্বাস্থ্যকেন্দ্র (কমিউনিটি ক্লিনিক) আছে। সেখানে বলা হয়েছে, কোনো করোনা রোগীর সন্ধান পাওয়া গেলে তাদের বাসায় রেখেই চিকিত্সা দেওয়া হবে। মোবাইল ফোনে রোগ শুনে পরামর্শ দেওয়া হবে। আর কোনো রোগী যদি সরাসরি হাসপাতালে এসে থাকে, তাহলে বাঘা উচ্চ বিদ্যালয়ে পাঁচটি এবং স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আরো পাঁচটি বেড প্রস্তুত রাখা হয়েছে। যদিও এখন পর্যন্ত কোনো রোগী আসেনি বলে জানান তিনি। ঐ কর্মকর্তা বলেন, এখন পর্যন্ত করোনা পরীক্ষার কোনো কিছু তারা জানেন না। তবে রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে এ সুযোগ রয়েছে। কেউ চাইলে সেখানে পরীক্ষা করাতে পারবেন।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শাহীন রেজা বলেন, ‘করোনা ভাইরাস সংক্রমণের সময় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রয়েছে। তাই জনস্বার্থে প্রতিষ্ঠানের একটি কক্ষ আমরা নিয়েছি। এখন পর্যন্ত করোনা আক্রান্ত কোনো রোগী আসেনি।’
