ভূঞাপুরের গার্মেন্টস কর্মীরা ঝুঁকি নিয়েই ঢাকামুখী

আপডেট : ০৭ এপ্রিল ২০২০, ২২:১৯

ছুটির মেয়াদ বৃদ্ধি হয়নি। তাই করোনা ভাইরাস সংক্রমণের ঝুঁকি নিয়ে দলে দলে গার্মেন্টকর্মীরা কর্মস্থল ঢাকায় যেতে শুরু করেছেন। চাকরি বাঁচানোর তাগিদে তারা ঢাকার দিকে ছুটছেন। টাঙ্গাইলের ভূঞাপুরে গার্মেন্টকর্মীদের মাইক্রোবাস, সিএনজি ও মিনি ট্রাকে করে কর্মস্থলে যেতে দেখা গেছে। এতে সুযোগ বুঝে গাড়ির ভাড়া বাড়িয়ে দিয়েছেন চালকরা।

জানা গেছে, দেশে করোনা ভাইরাসের কারণে সরকার সাধারণ ছুটি ঘোষণা করলে গার্মেন্টকর্মীরা কর্মস্থল ছেড়ে বাড়িতে চলে আসেন। তবে গার্মেন্টে শনিবার (৪ এপ্রিল) পর্যন্ত ছুটি ঘোষণা করা হয়। ফলে গার্মেন্টসকর্মীরা ছুটির মেয়াদ শেষ হওয়ায় পুনরায় কর্মস্থলে ছুটে চলেছেন। 

সরেজমিনে ভূঞাপুরে মাইক্রোবাস-কার-পিকআপ স্ট্যান্ড ও বাসস্ট্যান্ড এলাকায় গিয়ে দেখা গেছে, গার্মেন্টকর্মীরা ঢাকার চন্দ্রা, গাজীপুর, টঙ্গীসহ বিভিন্ন স্থানে যাওয়ার জন্য পরিবহনের অপেক্ষায় বসে আছেন। 

আরও পড়ুন: যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে ব্যবহৃত মাস্ক পাঠানোর অভিযোগ

মর্জিনা খাতুন চাকুরি করেন গাজীপুরের বারইপাড়া এলাকার একটি গার্মেন্টেসে। মর্জিনা বলেন, ছুটি শেষ তাই সন্তান নিয়ে গাড়ির অপেক্ষায় বাসস্ট্যান্ড এলাকায় বসে আছি। যেভাবেই হোক চাকরি বাঁচাতে কর্মস্থলে ফিরতে হবে। করোনা ভাইরাসের ঝুঁকি জেনেও যেতে হচ্ছে যেহেতু অফিস খোলা। এই সুযোগে চালকরা ভাড়া বাড়িয়ে দিয়েছেন।

আরেক গার্মেন্টকর্মী বেল্লাল হোসেন বলেন, গার্মেন্টের নির্দেশনা অনুযায়ী কর্মস্থলে উপস্থিত থাকতে হবে। নইলে চাকরি হারানোর ভয় আছে। আর চাকরি হারালে বেকার হতে হবে।

গার্মেন্টেস চাকরি করা অনেক কর্মীরা জানান, দেশে যখন অলিখিত লটডাউন চলছে সেখানে নিরাপত্তার স্বার্থে গার্মেন্ট বন্ধ ঘোষণা করা হোক। করোনা ভাইরাস সংক্রমণরোধে শ্রমিকদের সহায়তা প্রদান করে ছুটি দেওয়া হোক। নইলে না খেয়ে দিন কাটাতে হবে।

মাইক্রোবাস মালিক মোকলেছুর রহমান জানান, সড়কে গণ পরিবহন চলাচল বন্ধ। মানবিক কারনে গাড়ি চালাচ্ছি। যাওয়ার সময় মানুষজন পেলেও ফেরার সময় খালি আসতে হয় তাই ভাড়া একটু বেশি। 

ইত্তেফাক/এসি