জো ক স

আপডেট : ০৪ এপ্রিল ২০২০, ২২:২১

বোকা দেখে বলি

ছেলেটি :আপনার মতো এত্তো সুন্দরী মেয়ে জীবনেও দেখিনি। 

মেয়েটি :রাস্তায় সুন্দরী মেয়ে দেখলেই এমন বলেন?   

ছেলেটি :জি না, বোকা দেখে। 

নিয়মের মধ্যে থেকেই

১ম বন্ধু :হাসপাতালের জন্য ১৭ লাখ ৭০ হাজার টাকা দামের মোর্চুয়ারি ফ্রিজ ক্রয় করা হয়েছে ১ কোটি ৯৮ লাখ ২০ হাজার টাকায়, ভাবা যায়!

২য় বন্ধু :উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ তো বলেছে, নিয়মের মধ্যে থেকেই সব কাজ করা হয়েছে। তাহলে আর সমস্যা কোথায়?

১ম বন্ধু :একটা ফ্রিজ কিনতেই ১ কোটি ৮০ লাখ ৫০ হাজার টাকা লোপাট! এটাও কি নিয়মের মধ্যে থেকেই হয়েছে?

২য় বন্ধু :নিয়মের মধ্যে যদি বিশেষ কিছু নিয়ম থেকে থাকে, তার দায় তো আর উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের না, তাই না?

ওকেই বলো

প্রেমিকা :দুই বছর ধরে একটা চাকরি জোগাড় করতে পারছ না? নেপোলিয়ান কী বলেছিলেন জানো?

প্রেমিক :কী? 

প্রেমিকা :নেপোলিয়ান বলেছিলেন, কোনো কাজই অসাধ্য নয়।

প্রেমিক :তাহলে ওকেই একটা চাকরি যোগাড় করে দিতে বলো।

 

কার বিয়ের পর?

প্রেমিকা :বিয়ের পর আমাকে এখনকার মতো ভালোবাসবে?

প্রেমিক :কার বিয়ের পর? আমার না তোমার?

 

তখন তো আরো বেশি করে

প্রেমিকা :আমার যদি অন্য কোথাও বিয়ে হয়ে যায়, তখন?

প্রেমিক :বিয়ের সাথে ভালোবাসার সম্পর্ক কী, বুঝলাম না! তখন তো আরো বেশি করে ভালোবাসব। 

 

আর যে পারা যায় না

স্বামী :হুজুর, আমি ডিভোর্স চাই।

বিচারক :কেন?

স্বামী :আমার স্ত্রী দিনদিন খুবই ভয়ঙ্কর হয়ে ওঠছে। হাতের কাছে যা পায়, তাই ছুঁড়ে মারে।

বিচারক :কতদিন যাবত এ অবস্থা?

স্বামী :বছর পাঁচেক হবে।

বিচারক :তা এতদিন পর ডিভোর্স চাইছেন যে?

স্বামী :আগে তো ফুলদানি ছুঁড়ে মারতো আমার দিকে আর এখন...।

বিচারক :এখন কী?

স্বামী :এখন যে আমাকেই ছুঁড়ে মারে ফুলদানির দিকে।

সাধারণ জ্ঞানের অসাধারণ উত্তর

প্রশ্ন :শ্বাশুড়ি কাকে বলে? 

উত্তর : যাহাকে দেখিলে জামাই/বউয়ের শ্বাস উড়িয়া যায়।

 

প্রশ্নেই উত্তর

প্রশ্ন :পৃথিবীটা কার বশ?

উত্তর :পৃথিবী টাকার বশ।

প্রশ্ন :ভোট কাকে দিলেন, ভাই?

উত্তর :ভোটকা কে দিলেন ভাই?

 

প্রতিভাধর না ভুয়া চিকিত্সক?

১ম বন্ধু :‘করোনা ভাইরাসের কথিত প্রতিষেধক বিক্রির দায়ে নেত্রকোনায় দুই প্রতিভাধরকে দুই বছর করে কারাদণ্ড দিয়ে জেলে পাঠিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত’— এটা কোনো কথা হলো?

২য় বন্ধু :প্রতিভাধর না ভুয়া চিকিত্সক? 

১ম বন্ধু :আজ পর্যন্ত কেউ পেরেছে করোনার ওষুধ আবিষ্কার করতে? তাহলে কী করে বোঝা গেলো যে এরা ভুয়া চিকিত্সক?

 

ফটোশপ আছে, না?

স্ত্রী :বিয়ে বার্ষিকী উপলক্ষে তোমাকে বললাম বাজারের সবচেয়ে বড় ইলিশ মাছ আনতে, ফেসবুকে ছবি আপ করব। আর তুমি পুঁটি মাছ নিয়ে এলে?  

স্বামী :ও নিয়ে কিচ্ছু ভেবো না। ফটোশপ আছে না!

 

ভালো লেন্স

হবু বর :ডাক্তার সাহেব, কাল বাদে পরশু আমার বিয়ে। বললাম, চোখের জন্য ভালো লেন্স দিতে। কী দিলেন এটা?

ডাক্তার সাহেব :কেন, কী হয়েছে?

হবু বর :চোখে তো কিছুই দেখি না। 

ডাক্তার সাহেব :বিয়ের পরে আবার দেখাদেখি কী? যত কম দেখবেন ততই মঙ্গল। সে জন্যই তো এটাই সবচেয়ে ভালো লেন্স।

 

কোন সুস্থতা?

রোগী :ডাক্তার সাহেব, কত দিনে আমি সুস্থ হয়ে ওঠব?

ডাক্তার সাহেব :শারীরিক না আর্থিক? কোনটার কথা জানতে চাইছেন?

 

দোষ কার?

ছবি প্রদর্শনী চলছে। একজোড়া প্রেমিক-প্রেমিকা এসেছে সেই প্রদর্শনী দেখতে। তার মধ্যে একটি ছবি হলো—আকাশে কালো মেঘ ছেয়ে আছে, অসামান্যা রূপবতী এক তরুণী পাতলা ফিনফিনে কাপড় পড়ে অবাক হয়ে সেই মেঘাচ্ছন্ন আকাশ দেখছে।

এই ছবির সামনে এসে প্রেমিক আর নড়ছে না।

প্রেমিকা (রাগে জ্বলতে জ্বলতে) :তোমার ব্যাপারটা কি বলো তো? এখানে আর কতক্ষণ?

প্রেমিক :এখনও যে বৃষ্টি আসছে না, সে দোষ কি আমার?

বকশিশ

এক কিপটে গিয়েছে হোটেলে খাবার খেতে। খাবার খাওয়া শেষ করে ওয়েটারকে মানিব্যাগ খুলে বিল মেটাতে গিয়েই ঘটল বিপত্তি। ৫ টাকার একটা কয়েন গড়িয়ে চলে গেলো চোখের আড়ালে।

কিপটে :এই যে ওয়েটার, ৫ টাকার কয়েনটা কোথায় পড়ল, দেখো তো! খুঁজে পেলে আমাকে দাও, আর না পেলে বকশিশ হিসেবে রেখে দাও। 

ওয়েটার নির্বাক।

 

আমার মামা সব জানে

ভাগ্নে :আচ্ছা মামা, মোম নিভিয়ে জন্মদিন পালন করা হয় কেন?

মামা :মোম জ্বালিয়ে মৃতদের স্মরণ করা হয় তো, তাই।