বকশীগঞ্জসহ সারা জেলায় উঠতি বয়সের অনেকেই হোম কোরায়ারেন্টাইন থেকে মাথা ন্যাড়া করার হিড়িক এমন দৃশ্যই দেখা গেছে। অনেকে আবার নিজেদের বাড়ির রাস্তা বন্ধ করে দিয়েছেন। ইতিমধ্যেই বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে জেলার একমাত্র কামালপুর স্থলবন্দর, লাউচাপড়া পর্যটন বিনোদন কেন্দ্রসহ সাপ্তাহিক হাট বাজার।
বকশীগঞ্জ ও দেওয়ানগঞ্জ উপজেলা দুইটি ভারতীয় সীমান্তবর্তী হওয়ায় করোনা ভাইরাসের সংক্রমণের ঝুঁকি অনেকটা বেশি। তাই ঝুঁকিপুর্ণ দুই উপজেলাতে করোনার সংক্রমণ ঠেকাতে স্থানীয় প্রশাসন কঠোর ব্যবস্থা নিয়েছেন। প্রয়োজন ব্যতিত বের হলেই পড়তে হচ্ছে আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর জেরার মুখে। রাস্তায় টহল দিচ্ছে সেনা, পুলিশ ও র্যাব সদস্যরা।
জামালপুরে করোনা সন্দেহে গত দুই দিনে জেলার ৭ উপজেলা থেকে বিদেশ ফেরত এমনকি করোনা সন্দেহভাজন হোম কোয়ারেন্টিনে থাকা ১৩ ব্যক্তির নমুনা সংগ্রহের রির্পোট গত ৪ এপ্রিল শনিবার সন্ধ্যায় ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ল্যাব কর্তৃপক্ষ পাঠিয়েছে। ওই রির্পোট অনুযায়ী ১৩ (তের) ব্যক্তির নিগেটিভ এসেছে। অর্থাৎ কোন প্রকার করোনার ভাইরাসের অস্তিত্ব পাওয়া যায়নি বলে উল্লেখ করেছেন ল্যাব কর্তৃপক্ষের প্রধান।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন জামালপুরের সহকারী সিভিল সার্জন ডাঃ একেএম শহিদুজ্জামান। তিনি আরও উল্লেখ করেন, গত শনিবার পর্যন্ত জামালপুর জেলায় কোন করোনা রোগীর সন্ধ্যান পাওয়া যায়নি। তাই তিনি সকলকে সরকারি নিয়ম মেনে চলে অযথা রাস্তায় ঘুরাফেরা না করে বাড়িতে থেকে করোনা ভাইরাসকে প্রতিরোধের আহ্বান জানিয়েছেন।
সিভিল সার্জন ডাঃ মো.আবু সাঈদ এ বিষয়ে বলেন, বর্তমানে জামালপুর শেখ হাসিনা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে করোনায় সন্দেহভাজন ব্যক্তিদের কোয়ারেন্টাইন রাখার জন্য ৫০ শয্যা এবং আইসোলেশনে রেখে রোগীদের চিকিৎসা সেবা দেওয়ার জন্য আরও ৫০ শয্যার হাসপাতাল প্রস্তুত রাখা হয়েছে।
ইত্তেফাক/আরকেজি
