বগুড়ায় শিশুকে ধর্ষণের পর হত্যা মাদ্রাসার ছাত্র গ্রেফতার

আপডেট : ০৫ এপ্রিল ২০২০, ২২:৪০

বগুড়া শহরের খান্দার এলাকায় এক শিশুকে ধর্ষণের পর গলাটিপে হত্যা করা হয়েছে। শনিবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে ঐ শিশুর লাশ উদ্ধারের পর অভিযান চালিয়ে অভিযুক্তকে গ্রেফতার করে পুলিশ। গ্রেফতারকৃত আব্দুল মোমিন (১৬) শহরের মালগ্রাম মিফতাউল উলুম কওমি মাদ্রাসার ছাত্র। এই ঘটনায় নিহত শিশুর বাবা ফজলুর রহমান বাদী হয়ে সদর থানায় মামলা দায়ের করেছেন।

সদর থানা পুলিশ জানায়, খান্দার কসাইপাড়ার বাসিন্দা ফজলুর রহমানের শিশুকন্যা (৭) ঠনঠনিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রথম শ্রেণিতে পড়ত। শনিবার বিকালে সে খান্দার বাজারে তার দাদার খাবারের দোকানে যায়। এরপর থেকে তার কোনো খোঁজ মিলছিল না। স্বজনরা বিভিন্ন স্থানে খোঁজ করেও তার সন্ধান না পেয়ে আশপাশের এলাকায় মাইকিং করে। শনিবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে খান্দার চারতলা মোড় এলাকার একটি গলির ভেতর ঐ শিশুর লাশ পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয় বাসিন্দারা। পরে পুলিশ গিয়ে লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিক্যাল কলেজ (শজিমেক) হাসপাতাল মর্গে পাঠায়। বগুড়া সদর থানার পুলিশ পরিদর্শক রেজাউল করিম জানান, মরদেহের গলায় ও কপালে আঘাতের চিহ্ন দেখে সন্দেহ হয়। এ কারণে লাশ উদ্ধারের পরপরই পুলিশ কারণ অনুসন্ধানে নামে এবং ঐ শিশুকে ধর্ষণের পর হত্যায় জড়িত সন্দেহে আব্দুল মোমিন নামের মাদ্রাসাছাত্রকে গ্রেফতার করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদে সে ঐ শিশুকে ধর্ষণের পর হত্যার কথা স্বীকার করে।

সিলেটে ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে

কিশোরী ধর্ষণের চেষ্টার অভিযোগ

ওসমানীনগর (সিলেট) সংবাদদাতা জানান, সিলেটের ওসমানীনগরে ১৩ বছরের এক কিশোরীকে ধর্ষণের চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে উপজেলার বুরুঙ্গা ইউনিয়ন চেয়ারম্যান এম জি রাসুল খালেক লটইর বিরুদ্ধে। একই সঙ্গে নিজের মেয়েকে যৌন নির্যাতন করার দায়ে ঐ কিশোরীর বাবার বিরুদ্ধেও মামলা হয়েছে। উপজেলার বুরুঙ্গা ইউনিয়নের পূর্ব তিলাপাড়া ও পশ্চিম সিরাজ নগর গ্রামে ঘটনাটি ঘটে।

মামলা সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার বুরুঙ্গা ইউনিয়নের তিলাপাড়া গ্রামের আব্দুর নূর এর কুনজর পড়ে তার ১৩ বছর বয়সি কন্যার ওপর। তিনি মেয়েকে যৌন নির্যাতন করলে গত ৫ মার্চ কিশোরী মেয়েকে নিয়ে তার মা চেয়ারম্যান খালেক লটইর বাড়িতে এসে সব কিছু খুলে বলে স্বামীর বিচার প্রার্থী হন। চেয়ারম্যান বিচার করার আশ্বাস দিয়ে মেয়েটিকে নিজের কাছে ডেকে নিয়ে যৌন হয়রানি করেন। মেয়েটির মা বাধা দিলে চেয়ারম্যান উত্তেজিত হয়ে তাদেরকে বাড়ি থেকে বের করে দেন। শেষে কিশোরীর মা বাদী হয়ে মেয়েকে ধর্ষণের চেষ্টার অভিযোগে নিজের স্বামী আব্দুর নূর ও চেয়ারম্যান এম জি রাসুল খালেক লটইকে অভিযুক্ত করে থানায় মামলা দায়ের করেন। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ওসমানীনগর থানার এসআই সুফিকুল ইসলাম বলেন, এ ঘটনায় মামলা দায়ের হবার পর কিশোরীর পিতাকে গ্রেফতার করে আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে। ইউপি চেয়ারম্যানকে গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।