বগুড়া-৫ শেরপুর-ধুনট আসনটি গত দশ বছরে নৌকার শক্ত ঘাঁটি হিসেবে এগিয়ে নিয়েছে আওয়ামী লীগের বর্তমান সংসদ সদস্য হাবিবর রহমান। আর বিএনপির সাবেক সংসদ সদস্য জিএম সিরাজ তার হারানো আসন ফিরে পেতে এবার কোমর বেঁধে মাঠে নেমেছেন।
এই আসনে নৌকা ও আর ধানের শীষের হাই ভোল্টেজ ভোট যুদ্ধ হবে বলে মনে করছেন ভোটাররা। বিগত সংসদ নির্বাচনগুলোতে এই আসন থেকে আওয়ামী লীগ বিএনপি’র প্রার্থী একাধিকবার জয়লাভ করেছে। বিএনপির প্রার্থীও তিনবার নির্বাচিত হয়েছে। সেই তিনবারের প্রার্থী জিএম সিরাজের নামে দলে সংস্কারবাদী তকমা দেওয়ায় দীর্ঘ কয়েক বছর দল থেকে দূরে ছিলেন। দল আবার তাকে প্রার্থী করায় অপর অংশ ক্ষুব্ধ হয়েছে। আর এই সুযোগ কাজে লাগাতে উঠে-পড়ে লগেছে আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা।
ইতোমধ্যে এই আসনে নির্বাচনী প্রচারণায় বেশ কয়েকবার হামলার ঘটনা ঘটেছে। মামলা হয়েছে একাধিক। তার পরেও সকল বাধা-বিপত্তি পেরিয়ে নির্বাচনী প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছে ধানের শীষের প্রার্থী জিএম সিরাজ। তবে বিএনপির মধ্যে দলীয় কোন্দল নিরসন না হলে জিএম সিরাজ তার হারানো আসন ফিরে পাবেন কিনা তা নিয়ে রয়েছে সংশয়। মূলত ধানের শীষ ও নৌকা প্রার্থীর মধ্যে লড়াই হবে।
এই আসনে আরো যারা প্রার্থী হয়েছেন তারা হলেন, জাতীয় পার্টির তাজ মোহাম্মদ শেখ, ইসলামী আন্দোলনের মীর মো. মাহমুদুর রহমান, ন্যাশনাল পিপলস পার্টির মো. আব্দুন নূর, স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. আব্দুর রউফ মণ্ডল জোন, ইসলামী ঐক্যজোটের মো. নজরুল ইসলাম, সমাজতান্ত্রিক দল মার্কসবাদী রঞ্জন কুমার দে ও কমিউনিস্ট পার্টির সন্তোষ কুমার পাল।
