স্পোর্টস ডেস্ক
বৈশ্বিক মহামারি করোনা ভাইরাস ফুটবল অঙ্গনেও ভালোভাবেই আঘাত করেছে। মিকেল আর্তেতা, পাওলো দিবালা, দানিয়েলে রুগানির পর এবার আক্রান্ত হয়েছেন সাবেক লিভারপুল কোচ ও ফুটবলার কেনি ডালগ্লিশ। একই দিনে করোনা ভাইরাস পরীক্ষায় ইংল্যান্ডের বিশ্বকাপ বিজয়ী দলের সদস্য নরম্যান হান্টারও পজিটিভ প্রমাণিত হয়েছেন।
পুরোনো শারীরিক সমস্যার জন্য গত বুধবার স্থানীয় একটি হাসপাতালে গিয়েছিলেন ডালগ্লিশ। সেখানে আর সব পরীক্ষার সঙ্গে করোনা ভাইরাসের পরীক্ষাও করা হয় তার। ফলাফলে দেখা যায়, শরীরে করোনার জীবাণু বয়ে বেড়াচ্ছেন তিনি। তবে করোনা ভাইরাস পজিটিভ হলেও শরীরে কোনো ধরনের লক্ষণ ধরা পড়েনি তার, শুক্রবার ব্যাপারটি নিশ্চিত করে তার পরিবার।
সেল্টিকের হয়ে চারটি লিগ জেতার পর ১৯৭৭ সালে লিভারপুলে পাড়ি জমান তিনি। এরপর খেলোয়াড় ও কোচ হিসেবে ইংল্যান্ডে ডালগ্লিশ জেতেন নয়টি প্রিমিয়ার লিগ আর তিনটি চ্যাম্পিয়নস লিগ। এরপর ১৯৯৫ সালে কোচ হিসেবে ব্ল্যাকবার্নকেও জিতিয়েছিলেন প্রিমিয়ার লিগ।
এদিকে ইংল্যান্ডের বিশ্বকাপ বিজয়ী সাবেক ফুটবলার নরম্যান হান্টারও আক্রান্ত হয়েছেন করোনায়। তার সাবেক ক্লাব লিডস ইউনাইটেড জানিয়েছে, স্থানীয় একটি হাসপাতালেই চলছে তার চিকিত্সা।
ক্লাবটির পক্ষ থেকে এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘আমরা সবাই তোমার পাশে আছি হান্টার, এ লড়াই চালিয়ে যাও। এ উপলক্ষ্যে আমরা গণমাধ্যম ও জনগণকে নরম্যান ও তার পরিবারের ইচ্ছাকে সম্মান জানানোর ব্যাপারটি মনে করিয়ে দিতে চাই। এবং এই কঠিন সময়ে তাদের প্রয়োজনীয় অবকাশটা দেওয়ার জন্য আহ্বান জানাচ্ছি।’
খেলোয়াড়ি জীবনে হান্টার লিডস ইউনাইটেডের জার্সি গায়ে ৭২৬ ম্যাচ খেলে দুটি লিগ শিরোপা জিতেছিলেন। ১৯৭৫ সালে দলকে তুলেছিলেন ইউরোপিয়ান কাপের ফাইনালেও। তবে সেবার বায়ার্ন মিউনিখের কাছে হেরে স্বপ্নভঙ্গ হয় তার।
তবে জাতীয় দলে এই আক্ষেপটা আর আক্ষেপ থাকেনি হান্টারের। অভিষেকের পরের বছরেই ইংল্যান্ডের হয়ে জিতেছিলেন বিশ্বকাপ। এরপর থেকে ১৯৭৪ পর্যন্ত ইংল্যান্ডের হয়ে মোট ২৮টি ম্যাচ খেলেছিলেন তিনি, করেছিলেন ২টি গোলও।
১৯৬৫ থেকে ১৯৭৪ সাল পর্যন্ত ইংল্যান্ডের হয়ে ২৮টি ম্যাচ খেলেছেন হান্টার। গোল করেছেন ২টি। এছাড়া স্যার আল্ফ রামন্থের অধীনে ১৯৬৬ বিশ্বকাপ খেলেছেন হান্টার। ঐ আসরে চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল ইংল্যান্ড।
