পরিবারের কোনো সদস্য জ্বর, সর্দি, কাশি ইত্যাদিতে আক্রান্ত হলে দ্রুত খবর দেওয়ার জন্য ওয়ার্ডভিত্তিক যোগাযোগকেন্দ্র স্থাপন করা জরুরি হয়ে পড়েছে। ডাক্তারের সঙ্গে যোগাযোগ করে এই কেন্দ্র থেকেই আক্রান্ত পরিবারের করণীয় ও চিকিত্সা সম্পর্কে পরামর্শ দিতে হবে। অন্তত নব্বই শতাংশেরও বেশি করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত রোগীকে হাসপাতালে না এনে যথাযথ নিয়ম মেনে বাড়িতে রেখেই চিকিত্সা দেওয়া সম্ভব। তবে জ্বর হলেই তা করোনা নয়—এ বিষয়টিও মাথায় রাখতে হবে। কিন্তু বিশেষ করে বৃদ্ধ ও আগে থেকে অন্য কোনো রোগে আক্রান্ত ব্যক্তির জ্বর-সর্দি-কাশি হলে অবশ্যই সতর্কতা অবলম্বন জরুরি।
করোনা যুদ্ধে চিকিত্সক ও চিকিত্সাকর্মীরাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন। ইতিমধ্যেই তাঁদের মধ্যে অনেকে এতে সংক্রমিত হয়েছেন, আবার অনেকেই আছেন কোয়ারেন্টিনে। বিশ্বের বিভিন্ন দেশে চিকিত্সক ও চিকিত্সাকর্মীও করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন। স্বাস্থ্যসুরক্ষা সরঞ্জাম থাকলেও কোনো চিকিত্সক ও চিকিত্সাকর্মীর পক্ষে প্রতি রোগীর ক্ষেত্রে নতুন পিপিই ব্যবহার করাও সম্ভব নয়। কাজেই চিকিত্সক, চিকিত্সাকর্মী ও রোগী অর্থাত্ সকল পক্ষকেই নিরাপদ দূরত্ব বজায় রেখে চিকিত্সা কার্যক্রম চালাতে হবে। পিপিই ব্যবহার করে একজন চিকিত্সক বা চিকিত্সাকর্মী যদি একাধিক রোগীর সংস্পর্শে আসেন, তাহলেও ভাইরাস ছড়ানোর সম্ভাবনা থাকে। কাজেই বর্তমান পরিস্থিতিতে সারা দেশে মোবাইল বা টেলিমেডিসিনের মাধ্যমে চিকিত্সাব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে। এ ব্যাপারে ঊর্ধ্বতন মহলের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।
বিপ্লব বিশ্বাস, গোয়ালচামট, ফরিদপুর
