করোনা ভাইরাস ও মেডিক্যাল টেকনোলজিস্ট

আপডেট : ১৫ এপ্রিল ২০২০, ২৩:২৫

বিশ্বজুড়ে এখন আতঙ্কের নাম করোনা ভাইরাস। বাংলাদেশে গত ৮ মার্চ প্রথম করোনা আক্রান্ত রোগী শনাক্তের খবর জানা যায়। জীবনের ঝুঁকি নিয়ে করোনা ভাইরাস নির্ণয়ের কাজ করে চলেছেন মেডিক্যাল টেকনোলজিস্টরা। অনেক কারণেই রোগীর জ্বর, কাশি, শ্বাসকষ্ট হতে পারে। এসব সমস্যা নিয়ে আসা রোগীর চিকিত্সার জন্য তাত্ক্ষণিকভাবে পরীক্ষা করা জরুরি। কোনো রোগী কোভিড ১৯-এ আক্রান্ত কি না, তা পরীক্ষা ছাড়া বলা যায় না। ঢাকার আইইডিসিআর, চট্টগ্রামের বিআইটিআইডিসহ দেশের প্রত্যেক বিভাগে ল্যাবরেটরিতে কোভিড-১৯ পরীক্ষার কাজ করছেন প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত মেডিক্যাল টেকনোলজিস্টরা। এমনকি বাড়ি বাড়ি গিয়েও নমুনা সংগ্রহ করছেন তাঁরা। বিগত ১০ বছর ধরে নিয়োগ বন্ধ থাকায় অধিকাংশ সরকারি ল্যাবরেটরিতে মেডিক্যাল টেকনোলজিস্টের পদ শূন্য। কোথাও কোথাও দুই-একজন কর্মরত থাকলেও তা চাহিদার তুলনায় খুবই অপ্রতুল। ল্যাবরেটরিগুলোতে প্রতিদিন রুটিন কাজের প্রচুর চাপ। আগত রোগীদের রেজিস্ট্রেশন, রশিদ প্রদান, নমুনা সংগ্রহ, পরীক্ষা করা, রেকর্ড বুক লিপিবদ্ধ করা, ওয়াস্ট ডিসপোজালসহ সমস্ত কাজ করতে হয় একজন মেডিক্যাল টেকনোলজিস্টকে। কোনো অ্যাটেন্ডেন্ট বা পরিচ্ছন্ন-কর্মী নিয়োগ দেওয়া নেই। মনে রাখা প্রয়োজন—দ্রুত যত বেশি রোগীর স্যাম্পল পরীক্ষা করা যায়, ততই মঙ্গল। মৃত্যুর ঝুঁকিও কম থাকে। কিন্তু ঘাটতি রয়েই গেছে। বিশ্ব মহামারি করোনা ভাইরাসের কারণে রোগনির্ণয়ে আন্তঃমন্ত্রণালয়ের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী মেডিক্যাল টেকনোলজিস্ট দ্রুত নিয়োগদানের ব্যবস্থা করতে সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।

আশীষ শীল শ্রাবণ

বঙ্গবন্ধু মেডিক্যাল টেকনোলজিস্ট পরিষদ (বিএমটিপি), চট্টগ্রাম