স্পোর্টস রিপোর্টার
করোনা ভাইরাসের কারণে বর্তমান সময়ে গোটা দুনিয়ায় মাঠের ক্রিকেট এখন নির্বাসনে রয়েছে। করোনা সংকটের এই কঠিন সময়ে যুক্তরাষ্ট্রে সন্তানসম্ভবা স্ত্রীর পাশে রয়েছেন ফিক্সিংয়ের প্রস্তাব গোপন করে নিষিদ্ধ হওয়া সাকিব আল হাসান। মার্কিন মুল্লুকে থেকেই করোনা লড়াইয়ে শামিল হচ্ছেন তিনি। গত বৃহস্পতিবার নিজের নামের ফাউন্ডেশনের ওয়েবসাইট প্রকাশকালে ফেসবুক লাইভে এসে ক্রিকেটসহ করোনা মোকাবিলায় অনেক উদ্যোগের কথা বলেছেন বাংলাদেশের এই সাবেক অধিনায়ক।
n জার্সি-ব্যাট নিলামের আহ্বান
এই তো কদিন আগে করোনা মোকাবিলায় নিজের বিশ্বকাপজয়ী জার্সি নিলামে তুলে ৬৫ হাজার পাউন্ড সংগ্রহ করেছিলেন ইংল্যান্ডের উইকেটকিপার ব্যাটসম্যান জস বাটলার। করোনার এই সময়ে বাংলাদেশের ক্রিকেটারদেরও একই উদ্যোগ নিতে আহ্বান জানিয়েছেন সাকিব। তিনি বলেছেন, ‘অনেক দেশের ক্রিকেটাররা তাদের টি-শার্ট কিংবা অন্যান্য সরঞ্জাম নিলামে তুলছে। আমরা এমন কিছুও হয়তো করতে পারি। সেটা আমাদের যেকোনো ক্রিকেটারের অটোগ্রাফ সম্বলিত ব্যাট হতে পারে। এই ব্যাপারগুলো আমরা করতে পারি। এই জিনিসগুলো আমরা নিলামে তুলতে পারি ফেসবুক কিংবা ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে।’
n করোনা লড়াইয়ে
সাকিব-মুশফিক জুটি
২২ গজে বহুবার তাদের যুগলবন্দি খাদের কিনার থেকে টেনে তুলেছে বাংলাদেশকে। করোনার লড়াইয়েও এবার সাকিব-মুশফিক জুটি গড়তে যাচ্ছেন। সাকিব বলেছেন, ‘আমি মুশফিক ভাইয়ের সঙ্গে গত কয়েকদিন ধরে কথা বলছি। তিনি কিছুদিন আগে তার এলাকায় সহায়তা করেছেন। তিনি খেলোয়াড় অনুদান তহবিলেও অংশ নিয়েছেন এবং ভবিষ্যতের দিনগুলোতে তিনি আরো বেশি লোককে সহায়তা করবেন। আমি আশা করি, আমাদের ফাউন্ডেশন মুশফিক ভাইয়ের সঙ্গে মিলে কাজ করবে এবং আগামী দিনে আমরা তার স্থানীয় এলাকায়ও সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিব।’
n তিন ভয়ংকর বোলার
নিষিদ্ধ হওয়ার আগেও বিশ্বের সেরা অলরাউন্ডার ছিলেন সাকিব। ফেসবুক লাইভে এসে নিজের মোকাবেলা করা সেরা তিন বোলার সম্পর্কে বাঁহাতি এই ক্রিকেটার বলেছেন, ‘যখন আমি ছোট ছিলাম মানে ১৯-২০ বছর বয়সে জাতীয় দলকে প্রতিনিধিত্ব করছি তখন দক্ষিণ আফ্রিকায় খেলতে গিয়েছিলাম। সে সময় মরনে মরকেল তার সেরা সময়টাতে ছিলেন। ওকে আমার খুব বিপজ্জনক মনে হত ঐ সময়। আর সম্প্রতি যদি কাউকে বলতে হয় তবে বলব জোফরা আর্চার, বিশ্বকাপের সময়।’
স্পিনারদের মধ্যে লঙ্কান কিংবদন্তি মুত্তিয়া মুরালি ধরনের নামই নিয়েছে সাকিব। তিনি বলেছেন, ‘স্পিনিং উইকেট হলে স্বাভাবিকভাবে একটা স্পিনার খুব বিপজ্জনক ফাস্ট বোলারের থেকে। স্পিনার বললে অবশ্যই মুরালিধরন। নিঃসন্দেহে তিনি ছিলেন সব থেকে কঠিন বোলার যাকে আমি মোকাবিলা করেছি।’
