খুলনায় প্রতিপক্ষের হামলায় ইউপি চেয়ারম্যানসহ আহত ৫ 

আপডেট : ১৯ এপ্রিল ২০২০, ১৯:২৮

খুলনায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে প্রতিপক্ষের হামলায় ইউপি চেয়ারম্যান গাজী জাকির হোসেনসহ ছাত্র ও যুবলীগের পাঁচজন আহত হয়েছেন। 

রবিবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে দিঘলিয়া উপজেলার বারাকপুর বাজারের পাশে এ হামলার ঘটনা ঘটে। আহত গাজী জাকির হোসেন দিঘলিয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও বারাকপুর ইউপি চেয়ারম্যান। 

এদিকে, পুলিশ শটগানের তিন রাউন্ড ফাঁকা গুলি ছুড়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। ঘটনার পর থেকে এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে। পুলিশ উভয় গ্রুপের ১৩ জনকে গ্রেফতার করেছে। আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে রাখতে এলাকায় পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। 

রবিবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে দিঘলিয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও স্থানীয় বারাকপুর ইউপি চেয়ারম্যান গাজী জাকির হোসেনসহ পাঁচজন তিনটি মোটরসাইকেলে দিঘলিয়া উপজেলা পরিষদের সভায় যোগদানের উদ্দেশ্যে বারাকপুরের বাড়ি থেকে বের হন। তারা বারাকপুর বাজার সংলগ্ন স্থানে পৌঁছালে পূর্ব শত্রুতার জের ধরে বারাকপুর বাজার কমিটির সাধারণ সম্পাদক আনসার শেখ ও ইউপি চেয়ারম্যানের চাচাতো ভাই ফরহাদ গাজীর নেতৃত্বে শতাধিক ব্যক্তি ইউপি চেয়ারম্যান গাজী জাকির হোসেনের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। হামলায় চেয়ারম্যান জাকির হোসেনসহ তার সঙ্গে থাকা ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ সভাপতি খাজা শেখ, যুবলীগ নেতা ইসরাইল চৌধুরী এবং খুলনা জেলা ছাত্রলীগের যুগ্ম সম্পাদক সাইদুল চৌধুরী ও মাসুম মোল্লা আহত হন।

বারাকপুর ইউপি চেয়ারম্যান গাজী জাকির হোসেন জানান, তিনি উপজেলা পরিষদের সভায় যোগদানের উদ্দেশ্যে বাড়ি থেকে বের হলে পূর্ব শত্রুতার জের ধরে বারাকপুর বাজার কমিটির সাধারণ সম্পাদক আনসার শেখ ও তার চাচাতো ভাই  ফরহাদ গাজীর নেতৃত্বে তার ওপর হামলার ঘটনা ঘটে। এতে তিনিসহ ছাত্রলীগ-যুবলীগের পাঁচজন নেতা গুরুতর আহত হয়েছেন।

আরো পড়ুন : লকডাউন অমান্য করে বিয়ে করতে আসায় বরকে জরিমানা


এ ব্যাপারে, খুলনার সহকারী পুলিশ সুপার (এ সার্কেল) রাজু আহমেদ বলেন, তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে গত শুক্রবার ইউপি চেয়ারম্যান গাজী জাকির হোসেন ও তার লোকজনের সঙ্গে বারাকপুর বাজারের ব্যবসায়ীদের সঙ্গে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। এতে চেয়ারম্যানসহ ৫জন আহত ও তিনটি মোটরসাইকেল ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে শটগানের তিন রাউন্ড গুলি ছুড়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এ ঘটনায় উভয় গ্রুপের ১৩ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

দিঘলিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মঞ্জুর মোরশেদ বলেন, এ ঘটনায় রবিবার বিকাল ৫টা পর্যন্ত থানায় কোনো মামলা হয়নি। তবে, উভয় গ্রুপের ১৩ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।  

 

ইত্তেফাক/ইউবি