স্টাফ রিপোর্টার, রংপুর
চলমান করোনা পরিস্থিতিতে রংপুরের কাউনিয়ায় মরিচের দাম কমে যাওয়ায় চাষিরা বেকায়দায় পড়েছে। চাষিরা মণ প্রতি মরিচ বিক্রি করছেন ১০০ থেকে ১২০ টাকা দরে। অথচ কয়েক সপ্তাহ আগেও মরিচের মণ ছিল ৮০০ থেকে ১ হাজার টাকা। তদের দাবি রংপুর অঞ্চলে মরিচ সংরক্ষণের জন্য হিমাগার স্থাপনের।
রংপুরের কাউনিয়া উপজেলার তিস্তা নদীবেষ্টিত ২৯টি গ্রামের চরাঞ্চলে উত্পাদিত মরিচ স্থানীয় চাহিদা পূরণ করে রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানের বাজারে যায়। এবারে আবহাওয়া অনুকূল থাকায় মরিচের বাম্পার ফলন হলেও করোনা দুর্যোগে দাম না থাকায় দিশাহারা হয়ে পড়েছে প্রান্তিক মরিচ চাষিরা। কাউনিয়া উপজেলা কৃষি বিভাগের সূত্র মতে, গত বছরের চেয়ে এ বছর ৮৫ হেক্টর বেশি জমিতে মরিচের আবাদ হয়েছে। চলতি মৌসুমে এ উপজেলায় মরিচ চাষের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৩২৫ হেক্টর কিন্তু চাষ হয়েছে ৪২০ হেক্টর জমিতে। গত বছর মরিচের চাষ হয়ে ছিল ৩২০ হেক্টর জমিতে।
উপজেলার প্রাণনাথ চর এলাকার মরিচ চাষি ওসমান আলী জানান, এ বছর ভাদ্র-আশ্বিন মাসে তিন একর জমিতে ফরিদপুরী জাতের মরিচ চাষ করেছি। প্রয়োজনীয় সার, কীটনাশক ও পরিচর্যার কারণে ফলনও ভালো হয়েছে। কিন্তু বাজার ক্রেতা না থাকায় বাধ্য হয়ে প্রতি মণ মরিচ অর্থ সংকটের কারণে ১০০ থেকে ১২০ টাকা দরে বিক্রি করতে হচ্ছে।
সম্প্রতি করোনা প্রতিরোধে প্রশাসনের কঠোর নির্দেশনায় মোকামে স্বল্প সময় দোকানে বেচাকেনা ও পরিবহন সংকটের ফলে মরিচের চাহিদা কমে গেছে। উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সাইফুল আলম জানান, আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় এবং পরিশোধিত বীজ, প্রয়োজনীয় সার-কীটনাশক পাওয়ায় চলতি মৌসুমে মরিচের বাম্পার ফলন হয়েছে।
