করোনা মোকাবিলায় মত্স্য ও প্রাণিসম্পদ
মন্ত্রণালয়ের ব্যাপক কর্মপরিকল্পনা
ইত্তেফাক রিপোর্ট
করোনা সংকট মোকাবিলায় মত্স্য, পোলট্রি ও ডেইরি খাতের ক্ষতিগ্রস্ত উদ্যোক্তারা বিনা সুদে ৫ হাজার কোটি টাকা ঋণ পাবে বলে জানিয়েছেন মত্স্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম। এছাড়া ক্ষতিগ্রস্ত খামারিদের আর্থিক ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে ব্যাংক বা এনজিও থেকে গৃহীত ঋণের কিস্তি ও সুদ এক বছরের জন্য মওকুফকরণ ও ২ হাজার কোটি টাকা নগদ প্রণোদনা প্রদান করা হবে। এ জন্য এরই মধ্যে অর্থ মন্ত্রণালয়কে চিঠি দেওয়া হয়েছে।
রবিবার ফার্মগেটস্থ প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের সম্মেলন কক্ষে করোনা পরিস্থিতিতে মত্স্য, পোলট্রি ও ডেইরি খাতের সংকট মেকাবিলায় কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ সংক্রান্ত এক জরুরি সভায় মন্ত্রী এসব কথা জানান। সভায় মত্স্য ও প্রাণিসম্পদ সচিব রওনক মাহমুদ, প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ডা. আবদুল জব্বার শিকদার, বাংলাদেশ প্রাণিসম্পদ গবেষণা ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক ড. নাথু রাম সরকারসহ মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
মন্ত্রী বলেন, বিশ্বব্যাংকের আর্থিক ঋণ সহায়তা প্রকল্প এলডিডিপি-এর আওতায় ইমার্জেন্সি রেসপন্স হিসেবে পোলট্রি ও ডেইরি খাতের জন্য প্রায় ১০০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার আর্থিক মূল্যের পোলট্রি ও ডেইরি খাদ্য, দুধের ক্রিম সেপারেটর মেশিন, কুলিং ভ্যান ও জীবাণুনাশক স্প্রে ক্রয়সহ নগদ প্রণোদনার জন্য বিশ্বব্যাংকে প্রস্তাব প্রেরণ করা হচ্ছে।
তিনি বলেন, আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে একটি নীতিমালা প্রস্তুত করা হবে। শুধু এ মুহূর্তেই নয়, আগামীতেও যাতে এ খাত কোনো কারণে ক্ষয়ক্ষতির মধ্যে না পড়ে সেটাকে সবচেয়ে গুরুত্বের সঙ্গে আমরা বিবেচনায় রাখছি।
মন্ত্রী বলেন, ‘করোনা সংকটে কোনোভাবেই মুরগির বাচ্চা, মাছ ও পোলট্রি খাদ্য, ভ্যাকসিন উত্পাদন, পরিবহন ও আমদানিতে ঘাটতি রাখা যাবে না। চিংড়িসহ অন্যান্য মাছের পোনা উত্পাদন, সরবরাহ ও বিপণন স্বাভাবিক রাখতে হবে। তিনি বলেন, কন্ট্রোল রুমের মাধ্যমে এ সংক্রান্ত সমস্যা সার্বক্ষণিক সমাধান করা হচ্ছে। তিনি বলেন, এ সংকট মোকাবিলায় মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন দপ্তর-অধিদপ্তরের জেলা-উপজেলায় কর্মরত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের দায়িত্ব পালনে কোনোভাবেই গাফিলতি সহ্য করা হবে না।
