দেশের বিভিন্ন স্থানে করোনা উপসর্গ নিয়ে আরো অন্তত চার জনের মৃত্যু ঘটেছে। এই নিয়ে মোট ১৬০ জন করোনা উপসর্গ নিয়ে মারা গেলেন।
সাতক্ষীরা প্রতিনিধি জানান, জ্বর ও শ্বাসকষ্টসহ করোনার উপসর্গ নিয়ে গতকাল মঙ্গলবার সকালে পাটকেলঘাটা পশ্চিমপাড়ায় এক নৈশপ্রহরী এবং আশাশুনির কাকবাশিয়া গ্রামে এক কলেজশিক্ষকের মৃত্য হয়েছে। তাদের দুই জনেরই নমুনা সংগ্রহ করেছে জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ। তালা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ইকবাল হোসেন জানান, আপাতত ঐ নৈশপ্রহরীর বাড়ির সবাই হোম কোয়ারেন্টাইনে থাকবে। স্বাস্থ্য বিভাগের পরামর্শে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আশাশুনি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মীর আলিফ রেজা জানান, ঐ কলেজশিক্ষকের বাড়িটি বর্তমানে লকডাউন ঘোষণা করা হয়েছে।
পটুয়াখালী প্রতিনিধি জানান, করোনা উপসর্গ নিয়ে পটুয়াখালী হাসপাতালে ৬৫ বছরের এক বৃদ্ধ গতকাল সকালে মারা গেছেন। তার বাড়ি পটুয়াখালী সদর উপজেলার সেহাকাঠি গ্রামে। করোনা পরীক্ষার জন্য স্বাস্থ্য বিভাগ তার নমুনা সংগ্রহ করেছে। তার বাড়ি লকডাউন ঘোষণা করা হয়েছে।
কোটালীপাড়া (গোপালগঞ্জ) সংবাদদাতা জানান, গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়া উপজেলায় নাদিম মোল্লা (২২) নামে এক যুবক করোনার উপসর্গ নিয়ে সোমবার দিবাগত রাতে মারা গেছেন। নাদিম মোল্লা উপজেলার বান্ধাবাড়ী গ্রামের ইলিয়াছ মোল্লার ছেলে। জানা যায়, কয়েক দিন আগে তিনি ঢাকা থেকে বাড়ি আসেন। সোমবার রাত ৩টার দিকে তার প্রচুর শ্বাসকষ্ট শুরু হলে পরিবারের লোকজন নাদিমকে উপজেলা স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিত্সক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. সুশান্ত বৈদ্য জানান, মৃত ব্যক্তির নমুনা সংগ্রহ করে তার বাড়িটি লকডাউন করা হয়েছে।
