চাঁঁদ দেখা গেলে আগামী শুক্রবার রাতে সেহরি খেয়ে শনিবার রোজা রাখতে হবে। পুরো এক মাস ফরজ সিয়াম সাধনা করবেন সারা বিশ্বের মুসলমানেরা। পবিত্র রমজান মাসটি ঘিরে কিছু নির্দেশনা দিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডাব্লিউএইচও)। পরামর্শগুলো হলো—মসজিদে নামাজ আদায় করার সময় এক জন মুসল্লি থেকে অপর মুসল্লির কমপক্ষে এক মিটার বা তিন ফুট দূরত্ব বজায় রাখতে হবে। কোলাকুলি করা, গায়ের ওপর হাত দিয়ে ডাকা, শরীরের ওপর হাত রাখা—এসব অভ্যাস ত্যাগ করতে হবে। রমজানে দোকানে বা বাজারে একসঙ্গে অনেক মানুষ জমায়েত বন্ধ করুন। অসুস্থ মানুষ এবং করোনার সামান্যতম লক্ষণ আছে যাদের তাদের বাসায় থাকতে বলুন। সেই সঙ্গে সরকারি নির্দেশনা মেনে চলুন। প্রবীণ এবং অসুস্থদের সমাবেশে অংশ নিতে নিষেধ করুন। বাইরের যেকোনো সমাবেশ পরিত্যাগ করতে হবে এবং একান্ত প্রয়োজন হলে বাড়ির ভেতর খোলামেলা জায়গায় এর ব্যবস্থা করতে হবে। সমাবেশের সময়সীমা যতটা সম্ভব কম করুন।
বড়ো বড়ো সমাবেশে যোগ দেওয়ার চেয়ে কম অংশগ্রহণকারীদের সঙ্গে ছোটো সমাবেশের আয়োজন করুন। দাঁড়িয়ে থাকার সময়, নামাজ পড়ার সময়, অজু করার সময় এবং জুতা সংরক্ষণের স্থানেও সামাজিক দূরত্ব মেনে চলুন। মসজিদে প্রবেশ এবং বের হওয়ার মুহূর্তে সবসময় নিরাপদ দূরত্ব বজায় রাখতে হবে। সমাবেশের মধ্যে যদি কোনো অসুস্থ ব্যক্তিকে চিহ্নিত করা যায় তবে তার ঠিকানায় যোগাযোগ করতে হবে। মসজিদের প্রবেশ দ্বারে এবং ভেতরে হ্যান্ডওয়াশ ও পর্যাপ্ত পরিমাণে পানির ব্যবস্থা থাকতে হবে। সেই সঙ্গে অ্যালকোহল-সমৃদ্ধ স্যানিটাইজারের ব্যবস্থা থাকতে হবে। পর্যাপ্ত পরিমাণে টিস্যু থাকতে হবে, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করতে হবে। মসজিদে কারপেটের ওপরে ব্যবহারে জন্য ব্যক্তিগত জায়নামাজ ব্যবহারের বিষয়ে সবাইকে উত্সাহিত করতে হবে। কোভিড-১৯ সম্পর্কে জনসচেতনতামূলক বার্তাগুলোকে ভিজ্যুয়াল ডিসপ্লেতে দেখাতে হবে। জীবাণুনাশক ও ডিটারজেন্ট ব্যবহার করে নামাজের আগে পরে মসজিদ পরিষ্কার রাখতে হবে। মসজিদের প্রাঙ্গণ, অজুখানা পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে এবং স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে হবে। কিছুক্ষণ পর পর দরজা, লাইটের সুইচ, সিঁড়ির রেলিং পরিষ্কার করতে হবে।
