পঞ্চগড়-২ আসন

মূল লড়াই আওয়ামী লীগ ও বিএনপির

আপডেট : ২৯ ডিসেম্বর ২০১৮, ২১:৫৫

পঞ্চগড়-২ আসনে আওয়ামী লীগ ও বিএনপিসহ সাতজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। তবে এ আসনে আওয়ামী লীগের হেভিওয়েট প্রার্থী বর্তমান সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট নুরুল ইসলাম সুজনের সঙ্গে বিএনপির ফরহাদ হোসেন আজাদের মূল লড়াইয়ের সম্ভাবনা দেখছেন নেতাকর্মী ও সাধারণ ভোটাররা।

বোদা ও দেবীগঞ্জ উপজেলা নিয়ে গঠিত পঞ্চগড়-২ আসনটি একসময় আওয়ামী লীগ ও সিপিবির দখলে ছিল। ২০১৪ সালের নির্বাচনে বিএনপি অংশ না নেয়ায় অ্যাডভোকেট নুরুল ইসলাম সুজন দ্বিতীয়বারের মত সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। আওয়ামী লীগের হেভিওয়েট প্রার্থী হিসেবে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনেও নুরুল ইসলাম সুজন দলীয় মনোনয়ন পান। গত দশ বছরে আওয়ামী লীগের ভোট বৃদ্ধি পাওয়ায় এবারও তিনি জয়ী হবেন বলে নেতাকর্মীরা মনে করছেন।

আওয়ামী লীগের প্রার্থী, সংসদ সদস্য ও জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি অ্যাডভোকেট নুরুল ইসলাম সুজন বলেন, দুইবার জাতীয় সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছি। একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনেও এলাকার মানুষ আমাকে জয়যুক্ত করবে। নির্বাচিত হলে আমার অসমাপ্ত কাজ সম্পন্ন করবো এবং পঞ্চগড়ের উন্নয়নে আমার যে স্বপ্ন তা বাস্তবায়ন করবো ইনশাল্লাহ।

পঞ্চগড়-২ আসনের নতুন মুখ হিসেবে বিএনপির প্রার্থী হয়েছেন কেন্দ্রীয় বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য ফরহাদ হোসেন আজাদ। বিএনপির হারানো আসনটি ফিরে পেতে তিনি ধানের শীষ নিয়ে নির্বাচনী মাঠ দাপিয়ে বেড়াচ্ছেন। ফরহাদ হোসেন আজাদ বলেন, মানুষ গত দুই নির্বাচনে বিএনপির প্রতীক ধানের শীষে ভোট দিতে পারেনি। মানুষ পরিবর্তন চায়, নিরাপত্তা চায়, স্বাভাবিকভাবে বাঁচতে চায়। বর্তমানে সারাদেশে ধানের শীষের জোয়ার উঠেছে। সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন হলে সাধারণ মানুষ আমাকে ভোট দিয়ে জয়যুক্ত করবে।

পঞ্চগড়-২ আসনের অন্য প্রার্থীরা হলেন- জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টির (জাগপা) সভাপতি ব্যারিস্টার তাসমিয়া প্রধান জুই (হুক্কা), জাতীয় পার্টির বোদা উপজেলা শাখার আহবায়ক লুত্ফর রহমান রিপন (লাঙ্গল), বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির বোদা উপজেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক আশরাফুল আলম (কাস্তে), ন্যাশনাল পিপলস পার্টির ফয়জুর রহমান মিঠু (আম), ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের কামরুল হাসান প্রধান (হাতপাখা)।