গাইবান্ধা-১ আসনে জামায়াত-জাপার লড়াই!

আপডেট : ২৯ ডিসেম্বর ২০১৮, ২২:১৭

গাইবান্ধা-১ (সুন্দরগঞ্জ) আসনে একদিকে জাপা চেয়ারম্যান এরশাদের রাজনৈতিক উপদেষ্টা বর্তমান শামীম হায়দার পাটোয়ারী আরেক দিকে জেলা জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মাজেদুর রহমান। দুইজনই নির্বাচনী মাঠ চষে বেড়াচ্ছেন। একজন উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে মহাজোটের লাঙ্গলে অপরজন গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনতে ধানের শীষে ভোট চাইছেন। এই আসনে বেশ জমে উঠেছে জাতীয় পার্টি ও জামায়াত প্রার্থীর ভোটের লড়াই।

এই আসনে ১১ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। অন্যরা হলেন— স্বতন্ত্র প্রার্থী আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী আফরুজা বারী (আপেল), গণতন্ত্রী পার্টির আবুল বাসার মোঃ শরীতুল্যাহ্ (কবুতর), স্বতন্ত্র প্রার্থী (এমপি লিটন হত্যা মামলার প্রধান আসামি) মোঃ আব্দুল কাদের খাঁন (মটরগাড়ি), স্বতন্ত্র প্রার্থী মোঃ এমদাদুল হক (কুড়াল), ইসলামী আন্দোলনের আশরাফুল ইসলাম খন্দকার (হাত পাখা), বাংলাদেশ মুসলিম লীগের গোলাম আহসান হাবীব মাসুদ (হ্যারিকেন), গণফ্রন্টের শরিফুল ইসলাম (মাছ), বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলনের মোঃ হাফিজুর রহমান সর্দার (বটগাছ) ও বাম গণতান্ত্রিক জোট সমর্থিত বাসদের গোলাম রব্বানী শাহ (মই)। এর মধ্যে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী আফরুজা বারী ২৪ ফেব্রুয়ারি লাঙ্গলকে সমর্থন দিয়ে সরে দাঁড়িয়েছেন। আর স্বতন্ত্র প্রার্থী সাবেক সেনা কর্মকর্তা মোঃ আব্দুল কাদের খাঁন রয়েছেন জেলহাজতে। ফলে মাঠে এখন ৯ প্রার্থী রয়েছেন। কিন্তু তাদের নাম ভোটারদের নির্বাচনী আলোচনায় শোনা যাচ্ছে না। তাই এই আসনে ঐক্যফ্রন্ট সমর্থিত জামায়াত প্রার্থী ও মহাজোট সমর্থিত জাপার প্রার্থীর মধ্যেই মূল লড়াই হবে বলে শোনা যাচ্ছে।  স্বতন্ত্র প্রার্থী উপজেলা আওয়ামী লীগের ১নং যুগ্ম আহবায়ক আফরোজা বারী বলেন, মহাজোট প্রার্থী ব্যারিস্টার শামীম হায়দার পাটোয়ারীকে বিজয়ী করতে তিনি নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন। জাপা প্রার্থী শামীম হায়দার পাটোয়ারী বলেন, ভোটগ্রহণের দিন পরিবেশ ভালো থাকলে, মানুষ নির্বিঘ্নে কেন্দ্রে যেতে পারলে আমি জয়ী হবো।