বিশ্ববিদ্যালয় রিপোর্টার
করোনা ভাইরাস মোকাবিলায় ১৭ সদস্য বিশিষ্ট জাতীয় পরামর্শক কমিটিতে নেই বায়োকেমিস্ট এবং মলিকুলার বায়োলজিস্ট কোনো বিশেষজ্ঞ। জাতীয় এ দুর্যোগ মোকাবিলায় তাদের অন্তর্ভুক্তির দাবি জানিয়েছে গ্র্যাজুয়েট বায়োকেমিস্ট অ্যাসোসিয়েশন (জিবিএ)। শুক্রবার সংগঠনের সভাপতি প্রফেসর ড. হোসেন উদ্দিন শেখর ও সাধারণ সম্পাদক আবু সাঈদ মুহাম্মদ শামীম স্বাক্ষরিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ দাবি জানানো হয়।
টেস্ট বিষয়ে নীতিগত সিদ্ধান্ত গ্রহণে ভুল রয়েছে জানিয়ে বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বিশ্বব্যাপী আরটি-পিসিআর হলো করোনা শনাক্তকরণে গোল্ড স্ট্যান্ডার্ড মেথড। এটি সাধারণ চিকিত্সা পদ্ধতিতে ব্যবহূত হয় না। এই মলিকুলার প্রযুক্তিটি বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে আরএনএ এবং ডিএনএ নিয়ে গবেষণার কাজে প্রতিনিয়তই ব্যবহূত হয় এবং সাধারণত বায়োকেমিস্ট্রি অ্যান্ড মলিকুলার বায়োলজি, মাইক্রোবায়োলজি ও জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ছাত্র ও শিক্ষকগণ এই প্রযুক্তি ব্যবহার করে থাকেন। সে কারণে এসব বিভাগের ছাত্র ও শিক্ষকগণের এই প্রযুক্তি সম্পর্কে তত্ত্বীয় এবং প্রায়োগিক উভয় প্রকার জ্ঞান আছে। বিশ্বব্যাপী করোনা শনাক্তকরণে এ সকল বিশেষজ্ঞদের কাজে লাগানো হলেও বাংলাদেশ এর ব্যতিক্রম। এদেশের বেশির ভাগ পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে এই প্রযুক্তি এবং বিশেষজ্ঞ থাকলেও এখন পর্যন্ত তাদেরকে কাজে লাগানো হয়নি।
বিজ্ঞপ্তিতে আরো বলা হয়, বিশ্ববিদ্যালয়গুলো করোনা ভাইরাস নিয়ে কীভাবে সহযোগিতা করতে পারে তা উল্লেখ করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় চিঠি দেওয়া হলেও কোনো জবাব পাওয়া যায়নি। এ ঘটনা এবং জাতীয় কমিটিতে মলিকুলার বায়োলজিস্ট কাউকে না রাখা দুঃখজনক বলে মন্তব্য করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড বায়োটেকনোলজি বিভাগের প্রফেসর ড. শরিফ আখতারুজ্জামান।
