দেশের হাওরাঞ্চলের ৬২ শতাংশ বোরো ধান কাটা হয়েছে। বাকি ধানের মধ্যে পাকা অবস্থায় রয়েছে ১৪ শতাংশ এবং এখনো ২৪ শতাংশ ধান পাকেনি। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। উল্লেখ্য, করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের কারণে ছুটি থাকায় শ্রমিক সংকটে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে ধান কেটে ঘরে তোলা নিয়ে একধরনের অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছিল। যদি করোনা সংকটের এ সময়ে কোনো কারণে হাওরাঞ্চলের বোরো আবাদ মার খায় তাহলে দেশে বড়ো ধরনের খাদ্য ঘাটতি পড়ত।
কারণ, কিশোরগঞ্জ, নেত্রকোনা, সুনামগঞ্জ, মৌলভীবাজার, হবিগঞ্জ, সিলেট ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া—এই সাতটি জেলার শুধু হাওরেই ৪ লাখ ৪৫ হাজার ৩৯৯ হেক্টর জমিতে বোরো ধান আবাদ হয়েছে। গত ২৭ এপ্রিল পর্যন্ত এই ৭টি জেলার হাওরের ২ দশমিক ৭৪ লাখ হেক্টর জমির ধান কাটা হয়েছে। যা শতকরা হিসেবে ৬২ ভাগ। এর মধ্যে সিলেটে ৬৫ শতাংশ, মৌলভীবাজারে ৭২ শতাংশ, হবিগঞ্জে ৫৫ শতাংশ, সুনামগঞ্জে ৬৫ শতাংশ, নেত্রকোনায় ৭৪ শতাংশ, ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ৭০ শতাংশ এবং কিশোরগঞ্জে ৪৭ শতাংশ বোরো ধান কাটা হয়েছে।
এদিকে কৃষক ও শ্রমিকদেরকে উত্সাহ ও সহমর্মিতা-সহানুভূতি জানাতে কৃষিমন্ত্রী ড. মো. আব্দুর রাজ্জাক আজ বুধবার সুনামগঞ্জের দক্ষিণ সুনামগঞ্জ, সদর ও তাহিরপুর উপজেলায় হাওরে কৃষকের বোরো ধান কাটা পরিদর্শনে যাবেন।
