ইত্তেফাক ডেস্ক
পঞ্চগড় ও সাতক্ষীরার কলারোয়াসহ বিভিন্ন স্থানে বজ্রপাতে পাঁচ জনের মৃত্যু হয়েছে। আমাদের প্রতিনিধি ও সংবাদদাতাদের পাঠানো খবর :
পঞ্চগড় :পঞ্চগড়ে শনিবার বজ্রপাতে মুক্তা আক্তার (২৯) নামের এক গৃহবধূর মৃত্যু হয়েছে। পঞ্চগড় পৌরসভার পূর্ব জালাসী এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নিহত মুক্তা আক্তার ঐ এলাকার লাল মিয়ার স্ত্রী। তিনি দুই সন্তানের জননী। পঞ্চগড় পৌরসভার ৪ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর মিজানুর রহমান জানান, মুক্তা রান্না ঘরে ছিলেন। এ সময় বজ্রপাত হলে তিনি রান্নাঘরের দরজার কাছে দাঁড়ালে ঘটনাস্থলেই মারা যান।
সাতক্ষীরা :সাতক্ষীরার কলারোয়ায় শুক্রবার রাতে বজ্রপাতে ফজলুর রহমান (৩৩) নামের এক কৃষকের মৃত্যু হয়েছে। তিনি উপজেলার যুগিখালী ইউনিয়নের ছোট রাজনগর গ্রামের সিরাজুল ইসলাম দফাদারের ছেলে। যুগিখালী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান রবিউল ইসলাম জানান, ফজলুর রহমান রাতে মসজিদে যাওয়ার উদ্দেশ্যে বাড়ি থেকে বের হলে বজ্রপাত হয়। এতে গুরুতর অসুস্থ ফজলু রাতেই মারা যায়।
কসবা (ব্রাহ্মণবাড়িয়া) :বজ্রপাতে কসবা উপজেলার গোপীনাথপুর ইউনিয়নের রামনগর কাজিয়াতলী গ্রামের একই পরিবারের দুই গৃহবধূর মৃত্যু হয়েছে। শুক্রবার বিকালে বৃষ্টি থেকে শুকানো ধান বাঁচাতে গিয়ে সেনা সদস্য মো. মনির হোসেনের স্ত্রী সুইটি বেগম (৩০) এবং ছোটো ভাই পুলিশ সদস্য মো. সারোয়ার বেগমের স্ত্রী সুখি আক্তারের (২৫) শরীর বজ্রপাতে ঝলসে যায়। স্থানীয় লোকজন তাদেরকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিলে চিকিত্সক মৃত ঘোষণা করেন। মৃত দুই গৃহবধূ একে অপরের জা। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাসুদ উল আলম বজ্রপাতে মৃত দুই গৃহবধূর পরিবারকে কবরস্থ করার জন্য আর্থিক সহযোগিতা প্রদান করেছেন।
গাইবান্ধা প্রতিনিধি জানান,গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জে বজ্রপাতে আব্দুল কাইয়ুম (৫২) নামে এক কৃষক মারা গেছেন। শনিবার দুপুরে উপজেলার মুকুন্দপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। মৃত আব্দুল কাইয়ুম উপজেলার কোচাশহর গ্রামের অজিমুদ্দিনের ছেলে।
