নিজের ইচ্ছার বিরুদ্ধে জোর করে এক কলেজছাত্রীকে বিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করেন তার বাবা-মা। উপায়ান্তর না পেয়ে শিবচর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আবুল কালাম আজাদকে ফোন দিয়ে সেই বিয়ে ভেঙে দেন ঐ কলেজছাত্রী। রবিবার রাত আনুমানিক ১০টা ৪৫ মিনিটে উপজেলার উমেদপুর ইউনিয়নের একটি গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। গতকাল সোমবার সকালে এ ঘটনা শিবচর উপজেলায় জড়িয়ে পড়লে সবাই ওসিকে ধন্যবান জানান। এর আগেও তিনি ক্রেতা সেজে একাধিকবার পৌর কাঁচাবাজারসহ বিভিন্ন বাজারে অভিযান চালিয়ে দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে রাখার চেষ্টা করেন।
এলাকাবাসীর সূত্রে জানা যায়, উপজেলার সরকারি বরহামগঞ্জ কলেজের এক শিক্ষার্থীকে তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে এক প্রবাসীর সঙ্গে বিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করেন তার বাবা-মা। এখনই বিয়েতে রাজি না হওয়ায় গত কয়েক দিন ধরেই ঐ কলেজছাত্রীকে শারীরিক ও মানসিকভাবে নির্যাতনও করেন তার বাবা-মা। রবিবার রাত আনুমানিক ১০টা ৪৫ মিনিটে ফের মারধর শুরু করলে পাশে দাদির ঘরে গিয়ে আশ্রয় নেন ছাত্রীটি। পরে শিবচর থানার ওসি আবুল কালাম আজাদকে ফোন দেন ঐ শিক্ষার্থী। খবর পেয়ে শিবচর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল কালাম আজাদ পুলিশের একটি টিম নিয়ে ঘটনাস্থলে আসেন এবং মেয়েটির পরিবারের সঙ্গে আলাপ করে মেয়ের ইচ্ছার বিরুদ্ধে বিয়ে না দেওয়ার ব্যাপারে বোঝাতে সক্ষম হন।
