দেশে এক দিনে রেকর্ড ৬৮৮ জনের মধ্যে করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ ধরা পড়ায় মোট আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ১০ হাজার ১৪৩ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় আরো পাঁচ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে ভাইরাসটিতে ১৮২ জনের মৃত্যু হলো। এছাড়া সুস্থ হয়েছেন আরো ১৪৭ জন। সব মিলিয়ে সুস্থ হয়ে ঘরে ফিরেছেন ১ হাজার ২১০ জন।
গতকাল সোমবার দুপুরে করোনা ভাইরাসবিষয়ক নিয়মিত হেলথ বুলেটিনে এ তথ্য জানান স্বাস্থ্য অধিদফতরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা। নতুন দুটি ল্যাব নিয়ে এখন সরকারি-বেসরকারি মিলিয়ে মোট ৩৩টি ল্যাবে করোনা ভাইরাস পরীক্ষা হচ্ছে জানিয়ে তিনি বলেন, করোনা ভাইরাস শনাক্তে গত ২৪ ঘণ্টায় আরো ৬ হাজার ৩১৫টি নমুনা সংগ্রহ করা হয়। পরীক্ষা করা হয় ৬ হাজার ২৬০টি নমুনা। এ নিয়ে দেশে মোট নমুনা পরীক্ষা করা হলো ৮৭ হাজার ৬৯৪টি। নতুন নমুনা পরীক্ষায় আরো ৬৮৮ জনের দেহে করোনা ভাইরাস শনাক্ত হয়েছে। এটি রবিবারের সংখ্যাকে ছাড়িয়ে ২৪ ঘণ্টায় সর্বোচ্চ শনাক্তের রেকর্ড। বুলেটিনে নতুন করে মারা যাওয়া পাঁচ জনের তথ্য তুলে ধরে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় যারা মারা গেছেন তারা সবাই পুরুষ। তিন জন ঢাকার, একজন সিলেট ও একজন ময়মনসিংহের বাসিন্দা। তিন জন ষাটোর্ধ্ব, একজন পঞ্চাশোর্ধ্ব এবং একজন ত্রিশোর্ধ্ব।
গত ২৪ ঘণ্টায় যে ১৪৭ জন সুস্থ হয়েছেন, তাদের মধ্যে কুয়েত মৈত্রী হাসপাতালের ১৩ জন, কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালের ১১ জন, ঢাকা মহানগর হাসপাতালের সাত জন, রাজারবাগ পুলিশ হাসপাতালের ১৩ জন, মিরপুর লালকুঠি হাসপাতালের চার জন, মুগদা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের ১৪ জন রয়েছেন। এছাড়া ঢাকা বিভাগের অন্য হাসপাতালের ১১ জন, চট্টগ্রাম বিভাগের সাত জন, রাজশাহী বিভাগের তিন জন, ময়মনসিংহ বিভাগের ১৭ জন, রংপুর বিভাগের চার জন এবং সিএমএইচের ১৪ জন রয়েছেন।
বুলেটিনে জানানো হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় আইসোলেশনে নেওয়া হয়েছে ৯০ জনকে এবং বর্তমানে আইসোলেশনে রয়েছেন ১ হাজার ৬৩৬ জন। রাজধানীসহ সারাদেশে আইসোলেশন শয্যা রয়েছে ৯ হাজার ৬৩৮টি। এরমধ্যে রাজধানী ঢাকায় রয়েছে ৩ হাজার ৯৪৪টি এবং রাজধানীর বাইরে বিভিন্ন হাসপাতালে রয়েছে ৫ হাজার ৬৯৪টি। গত ২৪ ঘণ্টায় হোম এবং প্রাতিষ্ঠানিক মিলিয়ে কোয়ারেন্টাইনে নেওয়া হয়েছে ২ হাজার ৭৪২ জনকে এবং এ পর্যন্ত নেওয়া হয়েছে ১ লাখ ৯৫ হাজার ৩৩৪ জনকে। গত ২৪ ঘণ্টায় ছাড় পেয়েছেন ২৮ হাজার ৫৪৮ জন। এ পর্যন্ত ছাড় পেয়েছেন ১ লাখ ৫৩ হাজার ৪০১ জন। বর্তমানে কোয়ারেন্টাইনে রয়েছেন ৪১ হাজার ৯৩৩ জন।
