রাজধানীর আদাবর এলাকার বাসা থেকে এক জন সাব ইন্সপেক্টরের স্ত্রীর লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। মৃত আফরিন আক্তার মুন্নি (২৮) দুই সন্তানের জননী। তার স্বামী নজরুল ইসলাম রবিন আদাবর থানার সাব ইন্সপেক্টর। রবিনের দাবি, পারিবারিক কলহে মুন্নি আত্মহত্যা করেছেন। তবে মুন্নির চাচা মুজিবর রহমান অভিযোগ করেছেন, রবিনের পরকীয়ার সম্পর্ক আছে। বিয়ের পর থেকে নানাভাবে মুন্নিকে নির্যাতন করত রবিন। এটা আত্মহত্যা না, মুন্নিকে হত্যা করা হয়েছে।
আদাবর থানার ওসি কাজী শাহেদুজ্জামান ইত্তেফাককে বলেন, আপাতদৃষ্টিতে আমাদের মনে হচ্ছে পারিবারিক কলহে মুন্নি আত্মহত্যা করেছেন। কারণ আমরা দরজা ভেঙে ভেতর থেকে ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করেছি। ময়নাতদন্তের রিপোর্টে বিষয়টি পরিষ্কার হওয়া যাবে। আমরা নিরপেক্ষভাবে বিষয়টি তদন্ত করছি।
মুন্নির চাচা মুজিবুর রহমান ইত্তেফাককে বলেন, ১১ বছর আগে তাদের বিয়ে হয়েছে। দুই জনের বাড়ি নোয়াখালী। রবিনদের বাড়ি চাটখিল আর মুন্নিদের সোনাইমুড়ি। মাস দেড়েক আগে করোনা উপসর্গ নিয়ে রবিন-মুন্নি দম্পতির একমাত্র ছেলে আল আমিন হাসপাতালে ভর্তি হয়। কিন্তু সেখানে সঠিক চিকিত্সা না হওয়ায় তাদের মধ্যে বিবাদ লেগে ছিল। সোমবার দুপুরে রবির তার শ্বশুরকে ফোনে জানায়, অ্যাম্বুলেন্সে মেয়েকে নোয়াখালী পাঠিয়ে দিয়েছেন। কিন্তু বিকাল ৫টায় জানায়, মুন্নি আত্মহত্যা করেছে। ফলে এই মৃত্যু নিয়ে তারা সন্দিহান।
