তামিমের নেতৃত্বে মাশরাফির আস্থা

আপডেট : ০৫ মে ২০২০, ২০:৫৭

স্পোর্টস রিপোর্টার

সর্বশেষ হোম সিরিজে ওয়ানডে দলের অধিনায়কত্ব ছেড়ে দিয়েছেন মাশরাফি বিন মুর্তজা। ওয়ানডে দলের নতুন অধিনায়কের দায়িত্ব পেয়েছেন তামিম ইকবাল। লম্বা সময়ের ক্যারিয়ারে ঘরোয়া ক্রিকেটেও অধিনায়ক হিসেবে নিজেকে চেনাতে পারেননি এই বাঁ-হাতি ওপেনার। খণ্ডকালীন দায়িত্ব পালনের সময় আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ছাপ রাখতে পারেননি। ব্যাটসম্যান ভালো হলেও তামিম ভালো অধিনায়ক নন—এমন একটা ট্যাগ রয়েছে তার নামের পাশে।

যদিও মাশরাফি বিশ্বাস করেন পূর্ণকালীন দায়িত্বে ভালো করবেন তামিম। অধিনায়ক তামিমের প্রতি, তার নেতৃত্বের প্রতি পূর্ণ আস্থা রয়েছে মাশরাফির। তার আশা, এই বাঁ-হাতির হাত ধরে নতুন উচ্চতায় যাবে বাংলাদেশের ক্রিকেট।

সোমবার রাতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুক লাইভে তামিমের সঙ্গে আলাপে এমনটাই বলেছেন মাশরাফি। তিনি বিশ্বাস করেন নেতৃত্বগুণে বলীয়ান তামিম সফল হবেন। সাবেক এই অধিনায়ক বলেছেন, ‘আমার বিশ্বাস তোর যে নেতৃত্বগুণ আছে, তুই যদি সেটাকে মাঠে ব্যবহার করিস তুই অনেক বেশি সফল হবি। অনেক বেশি।’

আগে তামিম অধিনায়কত্ব করতে চাইতেন না উল্লেখ করে মাশরাফি বলেন, ‘আগে তুই অধিনায়কত্ব করতে চাইতি না। এখন আলহামদুলিল্লাহ তুই স্বেচ্ছায় অধিনায়কত্ব করবি। আমি জানি তোকে কী করতে হবে। কিন্তু আমি কখনো বলব না তুই কী করবি। বরং তুই নিজের মন খুলে অধিনায়কত্ব করবি। নিজের মন, ইচ্ছাকে প্রাধান্য দিবি। তবে অবশ্যই তুই মুশফিক, রিয়াদ ও সাকিব আছে তাদের সঙ্গে আলোচনা তো করবি।’

সৌম্য-লিটন-মুস্তাফিজ ম্যাচ উইনার

মাশরাফির মতে, সৌম্য সরকার, লিটন দাস, মুস্তাফিজুর রহমানরা ম্যাচ উইনার। তামিমকে  তিনি বলেছেন, এই তরুণ ত্রয়ীর পাশে থাকতে। তিনি বলেছেন, ‘সৌম্য , লিটন, মুস্তাফিজ আছে। তুই জানিস এরা কত বড়ো অস্ত্র। ওরা কিন্তু ম্যাচ উইনার। সুতরাং ওদেরকে নিয়ে যদি কেউ কিছু বলে তাহলে তোকে তোর মতো করে বিষয়গুলো নিয়ন্ত্রণ করতে হবে। আর তুই যদি তাদের অতটুক জায়গা দিতে পারিস। আমি নিশ্চিত যে, তুই ওদের কাছে থেকে সেরাটা পাবি।’

মাশরাফির সেরা তিন জয়

মাশরাফির নেতৃত্বে ৫০টির বেশি ওয়ানডে জয় পেয়েছে বাংলাদেশ। সোমবার রাতে তামিমের প্রশ্নে নিজের হূদয়কে নাড়ান সেরা তিন জয়ের কথা জানিয়েছেন মাশরাফি। তিনি বলেছেন, ‘সেরা তিনটি জয়ের একটি হলো ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ২০১৫ বিশ্বকাপে। যখন আমরা কোয়ার্টার ফাইনাল নিশ্চিত করি। এরপরের জয়টি অবশ্যই রিয়াদ এবং সাকিবের সেঞ্চুরির ম্যাচটি। সেটি অবিশ্বাস্য ছিল। আরেকটি হলো ইংল্যান্ডের বিপক্ষে দ্বিতীয় ম্যাচটি ঘরের মাটিতে। সেই ম্যাচে তাসকিন মাঝখানে তিনটি উইকেট পেয়েছিল। আমিও ব্যাটিংয়ে রান করেছিলাম। হাথুরুসিংহে বলেছিল তুমি কোনোদিনই ব্যাটিংয়ে রান করে ম্যাচ জেতাতে পারবা না।’