সারা দেশ একদিকে যখন করোনা ভাইরাসের বিরুদ্ধে লড়ছে, অন্যদিকে তখন বাড়ছে ডেঙ্গু রোগের ঝুঁকিও। এ বছরের আগাম গ্রীষ্মকালীন বৃষ্টি এ ঝুঁকির মাত্রা আরো বাড়িয়ে দিয়েছে। গত বছর এ সময়ে সারা দেশে ডেঙ্গুজ্বরে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা করোনা রোগীর চেয়ে বহুগুণ বেশি ছিল। বর্তমানে ডেঙ্গুর বাহক মশার উত্পাতে অতিষ্ঠ ঢাকাবাসী। সন্ধ্যা নামার সঙ্গে সঙ্গেই ঝাঁকে ঝাঁকে মশার উত্পাত শুরু হয়। মশা নিধনে কার্যকর কোনো উদ্যোগ না থাকায় মশা এখন বেপরোয়া। অনেকে দিনের বেলাতেও মশার উপদ্রবে মশারি টাঙিয়ে রাখেন। ডেঙ্গু বাহিত মশা সাধারণত দিনে কামড়ায়। মশার জন্মরোধের ব্যবস্থা মশার উপদ্রব নিবারণে সর্বোত্তম করণীয়। এটা সত্য যে, ঢাকার উত্তর-দক্ষিণ দুই সিটি করপোরেশনে মশা মারার জন্য যেমন ওষুধের অপর্যাপ্ততা রয়েছে, তেমনি রয়েছে জনবল স্বল্পতা। তাছাড়া এ কার্যক্রমে স্থবিরতা, সমন্বয়ের অভাব এবং যথাযথ গাইডলাইনের অভাবও নগরীতে মশার বংশ বিস্তারের অন্যতম কারণ। যে কারণই হোক না কেন, মশাবাহিত ডেঙ্গু রোগের ঝুঁকি কমাতে এখনই উপযুক্ত পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি। অন্যথায় এ বছরও নগরবাসীকে ডেঙ্গুজ্বর মোকাবিলায় চরম মূল্য দিতে হবে।
মো. জিল্লুর রহমান
সতিশ সরকার রোড,
গেণ্ডারিয়া, ঢাকা
