করোনায় হেল্প লাইন খোলা ২৪ ঘন্টা
দিদারুল আলম
দশ বছরে সরকারি আইনি সহায়তা পেয়েছেন ৫ লাখ মানুষ। যারা অসহায় ও দরিদ্র শ্রেণির। জাতীয় আইনগত সহায়তা প্রদান সংস্থার মাধ্যমে এসব দরিদ্র ও অসহায় মানুষ এই আইনি সহায়তা পেয়েছেন। একই সঙ্গে আইনি সহায়তা দিয়ে সাড়ে ৩৫ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ আদায় করে দিয়েছে সরকারি এই সংস্থাটি। গত এক দশকে নিজেদের কর্মকাণ্ড পর্যালোচনা করে সম্প্রতি এমন তথ্য প্রকাশ করে সংস্থাটি।
সংস্থার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সংস্থাটি বিগত ১০ বছরে ৬৪টি জেলা লিগ্যাল এইড অফিসের মাধ্যমে ৩ লাখ ৮৪ হাজার ৮২৩ জনকে, সুপ্রিম কোর্ট লিগ্যাল এইড অফিসের মাধ্যমে ২০ হাজার ৯২ জনকে, জাতীয় হেল্প লাইন কলসেন্টারের ১৬৪৩০ নম্বরে ফোন কলের মাধ্যমে ৮৩ হাজার ৯১৮ জনকে এবং ঢাকা ও চট্টগ্রাম শ্রমিক আইনগত সহায়তা সেলের মাধ্যমে ১৮ হাজার ২০৭ জনকে আইনগত সহায়তা প্রদান করেছে। একই সময়ে সংস্থাটি ১ লাখ ২৬ হাজার ৪৯২টি লিগ্যাল এইড মামলা নিষ্পত্তি করেছে। একই সময়ে সংস্থাটি ৩৫ কোটি ৩৬ লাখ ১৩ হাজার ৪২২ টাকা দরিদ্র-অসহায় মানুষকে ক্ষতিপূরণ আদায় করে দিতে সক্ষম হয়েছে।
আর্থিকভাবে অসচ্ছল, সহায়-সম্বলহীন এবং নানাবিধ আর্থসামাজিক কারণে বিচারপ্রাপ্তিতে অসমর্থ জনগোষ্ঠীর আইনি অধিকার নিশ্চিতকল্পে তাদেরকে আইনগত সহায়তা প্রদানের উদ্দেশে ২০০০ সালে প্রণয়ন করা হয় আইনগত সহায়তা প্রদান আইন। এই আইনের অধীনে গঠন করা হয় জাতীয় আইনগত সহায়তা প্রদান সংস্থা। ঐ সংস্থার অধীনে ৬৪টি জেলা লিগ্যাল এইড কমিটি এবং সুপ্রিম কোর্ট লিগ্যাল এইড কমিটি দরিদ্র ও অসহায় মানুষকে আইনি সহায়তা দিয়ে যাচ্ছে।
২৪ ঘণ্টা খোলা কল সেন্টার :করোনা ভাইরাসজনিত উদ্ভূত পরিস্থিতিতে জাতীয় আইনগত সহায়তা প্রদান সংস্থার জাতীয় হেল্প লাইন কলসেন্টার ২৪ ঘণ্টা খোলা রাখা হয়েছে। এই সেন্টার থেকে জনগণকে প্রয়োজনীয় আইনি পরামর্শ সেবা প্রদান করা হচ্ছে। আইনমন্ত্রী আনিসুল হকের নির্দেশনায় এই হেল্প লাইন কলসেন্টার (১৬৪৩০) বর্তমানে ২৪ ঘণ্টা খোলা রাখা হয়েছে। এর আগে শুধু অফিস চলাকালীন সময়ে এ কল সেন্টার থেকে আইনি পরামর্শ সেবা দেওয়া হচ্ছিল।
