অবশেষে কাদিয়ানীদের বাদ দিয়েই পাকিস্তানে জাতীয় সংখ্যালঘু কমিশন গঠন

আপডেট : ০৬ মে ২০২০, ২০:৪৫

অবশেষে পাকিস্তানে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়দের প্রতিনিধিত্ব করার জন্য জাতীয় সংখ্যালঘু কমিশন গঠন করা হয়েছে। আর সেখান থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে পাকিস্তানের কাদিয়ানী সম্প্রদায়কে। 

পাকিস্তানে কাদিয়ানী সম্প্রদায়ের কোন প্রতিনিধি ছাড়াই সংখ্যালঘুদের জন্য জাতীয় কমিশনের চূড়ান্ত গঠনতন্ত্র অনুমোদন দেওয়া হয়েছে বলে জানান দেশটির ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রী নুরুল হক কাদরী। মঙ্গলবার এ তথ্য দেন তিনি। তিনি বলেন, মন্ত্রীপরিষদ সিদ্ধান্ত নিয়েছিল যে কাদিয়ানীদের প্রতিনিধি বাদেই সকল সংখ্যালঘুদের প্রতিনিধিত্ব করবে ওই কমিশন।

কমিশনে কাদিয়ানীদের অন্তর্ভুক্ত করা একটি মিথ্যা অপপ্রচার ছাড়া কিছুই ছিল না দাবি করে একটি ভিডিও বার্তায় ধর্মমন্ত্রী আরো বলেন, জাতীয় সংখ্যালঘু কমিশনের অনুমোদনের মাধ্যমে কাদিয়ানীদের পরিকল্পিত ভাবে ভিত্তিহীন ও মনগড়া প্রচারণার অবসান ঘটেছে।

নরুল কাদরী আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান প্রথম মদিনা রাজ্য নিয়ে কথা বলেছেন এবং ইসলামিক কো-অপারেশনের (ওআইসি) এক প্লাটফর্ম হিসেবে তাহাফুজ নামুস-ই-রিসালাত (সা:) গঠনের প্রস্তাব করেন। আমাদের প্রধানমন্ত্রী, যিনি মানব জাতীর উপর মহানবী (সা:) এর যে দর্শন তাই তুলে ধরেছেন।

তিনি বলেন, মন্ত্রীরা আসবে-যাবে কিন্তু আমরা মহানবী (সা:) এবং খতম-ই-নবুওয়াত (সা:) এর মর্যাদা নিয়ে কোনও আপস করবো না।

চেলা রাম কেওলানি কে কমিশনের প্রধান করে আরো দুই জন মাওলানা সৈয়দ মুহাম্মদ আবদুল খবির আজাদ এবং মুফতি গুলজার আহমদ নাঈমীকে আনঅফিসিয়াল সদস্য রাখা হয়েছে।

অন্যান্য নন-অফিসিয়াল মেম্বররা হলেন, জয়পাল ছাবরিয়া ও বিষ্ণো রাজা কবি (হিন্দু ধর্মের), তিন খ্রিস্টান সদস্য ডঃ সারা সাফদার, আর্চবিশপ সেবাস্তিয়ান ফ্রান্সিস শ এবং অ্যালবার্ট ডেভিড, দুই শিখ সদস্য ডঃ মিমপাল সিং এবং সরুপ সিং, একজন পার্সী সদস্য মিসেস রওশন খুরশেদ ভুরুচা এবং কালাশদের পক্ষ থেকে দাউদ শাহকে সদস্য হিসাবে রাখা হয়েছে।

আরও পড়ুন: কাশ্মীরের স্বাধীনতাকামী শীর্ষ জঙ্গি কমান্ডার নিহত

কমিশনের অফিসিয়াল (সরকার) সদস্যদের মধ্যে রয়েছেন ইসলামী আইডলোলজির কাউন্সিলের (সিআইআই) চেয়ারম্যান এবং স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, আইন ও বিচার মন্ত্রণালয়, মানবাধিকার ও ফেডারেল শিক্ষার মন্ত্রণালয়ের একজন করে প্রতিনিধি। এছাড়াও কমিশনের উপ-কার্যনির্বাহী সদস্য হবেন ধর্ম বিষয়ক ফেডারেল সেক্রেটারি।


ইত্তেফাক/আরআই