স্পোর্টস রিপোর্টার
ফেব্রুয়ারিতে দক্ষিণ আফ্রিকার অধিনায়কত্ব ছেড়ে দিয়েছেন ফাফ ডু প্লেসিস। সীমিত ওভারের দুই ফরম্যাটে অধিনায়কের দায়িত্বভার দেওয়া হয় কুইন্টন ডি কককে। তার নেতৃত্বেই ভারত সফরে এসেছিল প্রোটিয়ারা। ওয়ানডে, টি-২০’র দায়িত্ব দিলেও টেস্ট দলের অধিনায়কত্ব পাননি ডি কক। দক্ষিণ আফ্রিকা ক্রিকেট বোর্ডের পরিকল্পনা অনুযায়ী ডি কককে ‘চাপমুক্ত’ রাখতে দেয়া হয়নি সাদা পোশাকের দায়িত্ব।
দক্ষিণ আফ্রিকার নতুন টেস্ট অধিনায়ক কে হবেন, তা নিয়ে চলছে জল্পনা-কল্পনা, আলোচনা। এরই মাঝে ফাঁকা মাঠে নিজের স্বপ্ন, পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন প্রোটিয়া স্পিনার কেশভ মহারাজ। ৩০টি টেস্ট খেলা এই বাঁহাতি স্পিনার নিতে চান সাদা পোশাকে দক্ষিণ আফ্রিকা দলের নেতৃত্বের গুরুভার।
এমনকি শুধু টেস্টই নয় তিন ফরম্যাটেই দক্ষিণ আফ্রিকাকে নেতৃত্ব দিতে চান তিনি। যদিও দেশটির সম্ভাব্য অধিনায়কের তালিকায় নেই মহারাজের নাম। এখনো পর্যন্ত প্রোটিয়াদের ভবিষ্যত্ অধিনায়ক হিসেবে আলোচনায় আছে টেম্বা বাভুমা, ডিন এলগার এবং এইডেন মারক্রামের নাম।
দক্ষিণ আফ্রিকাকে নেতৃত্ব দেয়ার স্বপ্ন লালন করেন মহারাজ। ৩০ বছর বয়সি এই ক্রিকেটার বলেছেন, ‘আমি সত্যিই চাই দক্ষিণ আফ্রিকাকে নেতৃত্ব দিতে। এটা আমার স্বপ্ন। অনেকে না জানলেও যারা কাছের, তারা বলতে পারবে এটা আমার অনেক দিনের ইচ্ছা, যে তিন ফরম্যাটেই দক্ষিণ আফ্রিকাকে নেতৃত্ব দেয়া।’
এমনকি দেশকে অধরা বিশ্বকাপ ট্রফিও এনে দিতে চান তিনি। দক্ষিণ আফ্রিকার হয়ে বিশ্বকাপ জয়ের স্বপ্ন দেখেন মহারাজ। এর মাধ্যমেই তার ক্যারিয়ার পূর্ণতা লাভ করবে বলে বিশ্বাস করেন তিনি।
মহারাজ বলেন, ‘আমি অধিনায়ক হিসেবে বিশ্বকাপ শিরোপাটি উঁচিয়ে ধরতে চাই। দক্ষিণ আফ্রিকার হয়ে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে খেলা অবশ্যই ছোটোবেলার স্বপ্ন ছিল। একইসঙ্গে বিশ্বকাপজয়ী দলের শিরোপা উঁচিয়ে ধরা আমার জীবনের সবচেয়ে বড়ো স্বপ্ন। এটি পূরণ হলেই আমার ক্রিকেট ক্যারিয়ার পূর্ণতা লাভ করবে।’
যদিও বাস্তবতা খুব একটা পক্ষে নেই মহারাজের। টেস্ট নিয়মিত খেললেও দক্ষিণ আফ্রিকার হয়ে তিন ফরম্যাটেই খেলা হয়নি তার। ২০১৬ সালে অভিষেকের পর টেস্টের পাশাপাশি ৭ ওয়ানডে খেলেছেন তিনি। টি-২০ তে এখনো অভিষেকই হয়নি তার।
