কোভিড-১৯ মোকাবিলার জন্য সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় বিশ্ব স্বাস্থ্য ব্যবস্থাকে পুনর্বিন্যাস করতে বিধিবিধানের রেজুলেশন নিয়ে চলছে তুমুল আলোচনা। এই রেজুলেশনের সঙ্গে পৃথিবীর অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশের জাতীয় স্বার্থ জড়িত। কারণ ভবিষ্যতে বাংলাদেশের জাতীয় স্বাস্থ্যনীতি প্রণয়ন ও বাস্তবায়নের জন্য অর্থ সংস্থান কীভাবে হবে তার ওপর এটি প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে প্রভাব ফেলবে। এছাড়া ভবিষ্যত্ মহামারি বা দুর্যোগ মোকাবিলায় প্রস্তুতি কী হবে তার ওপরও এটির প্রভাব থাকবে। ফলে এই রেজুলেশন থেকে সর্বোচ্চ সুবিধা পাওয়ার জন্য চীন, যুক্তরাষ্ট্রসহ অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশও সামনে থেকে দর কষাকষি, আলোচনা ও নিজস্ব মতামত দিচ্ছে। সবাই একমত হলে আসছে ১৮-১৯ মে বিশ্ব স্বাস্থ্য সম্মেলনে এটি আনুষ্ঠানিকভাবে গৃহীত হবে।
জানা গেছে, এই রেজুলেশনে বাংলাদেশের উদ্বেগের জায়গাগুলোকে আমলে নেওয়া হয়েছে এবং সমাধানের কথা বলা আছে। বিশেষ করে, এই ধরনের মহামারি মোকাবিলায় সর্বস্তরের আন্তর্জাতিক সহযোগিতা এবং নিম্ন আয়ের দেশগুলো সাম্যতার ভিত্তিতে ওষুধ ও মেডিক্যাল সামগ্রী বণ্টনের ক্ষেত্রে যেন অগ্রাধিকার পায় সেটি বলা আছে এই রেজুলেশনে। এছাড়াও অভিবাসী ও উদ্বাস্তুদের বিশেষ ব্যবস্থার কথাও উল্লেখ আছে।
এ রেজুলেশনে বাংলাদেশ দাবি জানিয়েছে, ওষুধ সহজলভ্য করা, ন্যায্য দাম নিশ্চিত করা এবং গোটা বিশ্বের সবাই যেন চিকিত্সার প্রয়োজনে দায়িত্ব নেয়। কেননা, উন্নয়নশীল নিম্ন আয়ের দেশ হলেও ১১ লাখ রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দিতে দ্বিধা করেনি বাংলাদেশ এবং সামর্থ্য অনুযায়ী বৈশ্বিক উদ্যোগে নিজের সামর্থ্য অনুযায়ী সবসময় তহবিল যোগান দিয়েছে বাংলাদেশ।
