রোহিঙ্গা ক্যাম্পে অগ্নিকাণ্ডে পুড়ে গেছে তিন শতাধিক বসতঘর ও দোকান

আপডেট : ১২ মে ২০২০, ২৩:১১

উখিয়ার রোহিঙ্গা ক্যাম্পে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে তিন শতাধিক বসতঘর ও দোকান পুড়ে গেছে। গতকাল মঙ্গলবার সকালে কুতুপালং লম্বাশিয়া রোহিঙ্গা ক্যাম্পের ই ব্লকে এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।

উখিয়া ফায়ার সার্ভিসের ইনচার্জ মো. ইমদাদুল হক জানান, সকালে অগ্নিকাণ্ডের খবর পেয়ে জেলার চারটি ফায়ার সার্ভিস ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছালেও দুইটি ইউনিট স্থানীয়দের সহযোগিতায় ঘণ্টাব্যাপী অভিযান চালিয়ে সাড়ে ১২টার দিকে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হয়। রোহিঙ্গাদের ব্যবহূত গ্যাসের চুলা থেকে অগ্নিকাণ্ডের সূত্রপাত বলে ধারণা করছেন ফায়ার সার্ভিসের কর্মকর্তারা। ক্ষয়ক্ষতির বিষয়ে তদন্ত শেষে জানানো যাবে বলে উল্লেখ করেন তিনি। কুতুপালং লম্বাশিয়া রোহিঙ্গা ক্যাম্পের হেড মাঝি ই-ওয়ান ব্লকের আলী হোসেন বলেন, রান্না ঘরের চুলা থেকে আগুনের সূত্রপাত। অগ্নিকাণ্ডে পুড়ে গেছে রোহিঙ্গাদের ৩১২টি ঝুঁপটি ঘর ও দোকান।

উখিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. নিকারুজ্জামান চৌধুরী বলেন, অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় ছয় জন আহত হওয়ার খবর পেয়েছি। তবে ঘটনাস্থলে আমরা  আহত কাউকে দেখতে পায়নি। তিনি বলেন, প্রতিটি রোহিঙ্গাদের বাড়িতে গ্যাসের সিলিন্ডার রয়েছে। এছাড়াও রোহিঙ্গা ক্যাম্পে বেশ কিছু গ্যাস সিলিন্ডারের দোকানও রয়েছে। সেখান থেকেও আগুনের সূত্রপাত হতে পারে।

রোহিঙ্গা শরণার্থী, ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার (আরআরআরসি) মাহবুব আলম তালুকদার বলেন, ক্ষতির পরিমাণ নিরুপণের কাজ চলছে। লকডাউনে বন্ধ থাকা লার্নিং সেন্টার ও বিভিন্ন এনজিওর খালি ঘরগুলোতে ক্ষতিগ্রস্তদের আপাতত থাকার ব্যবস্থা করে দেওয়া হয়েছে। ইউএনএইচসিআর, ডাব্লিউএফপিএসহ আইএনজিও এবং এনজিওগুলোকে ক্ষতিগ্রস্তদের সহযোগিতার ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে। যতদ্রুত সম্ভব ক্ষতিগ্রস্তদের ঘরগুলো তুলে দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।