বিজ্ঞান
মোহাম্মদ নাসির উদ্দিন, সিনিয়র শিক্ষক
দুলালপুর এস.এম.অ্যান্ড কে. উচ্চ বিদ্যালয়, কুমিল্লা
প্রিয় শিক্ষার্থী বন্ধুরা, শুভেচ্ছা নিও। তোমাদের স্কুল বন্ধ ঘরের বাইরেও যেতে পারছো না। তাই ঘরে বসে আমাদের দেয়া লেসনগুলো লক্ষ করো আর চর্চা করো। যখন একগুয়েমি লাগবে ভালো লাগবে না তখন গান, কবিতা, ছবি আঁঁকা এগুলো অভ্যাস করতে পারো। দু:সময় সবসময় থাকে না, তোমাদের ধৈর্য ধরে এসময়টায় ঘরে বসে পড়াশোনা চালাতে হবে বিভিন্ন অনলাইনেও ক্লাস হচ্ছে। দেখতে পারো সেগুলোও।
ক. মানুষের বৈজ্ঞানিক নাম কী?
উত্তর : মানুষের বৈজ্ঞানিক নাম Homo sapiens
খ. পাখিরা উড়তে পারে কেন?
উত্তর: পাখিদের দেহ পালকে আবৃত। এদের দু’টি ডানা, দু’টি পা ও একটি চঞ্চু থাকে। হাঁড় শক্ত, হালকা ও ফাঁপা। এদের ফুসফুসের সাথে বায়ুথলি আছে। এই বায়ুথলির কারণে পাখি সহজে উড়তে পারে।
ক. দ্বিপদ নামকরণ কাকে বলে?
উত্তর : দ্বিপদ নামকরণ: একটি প্রাণীর বৈজ্ঞানিক নাম দুই অংশ বা পদ বিশিষ্ট হয়। এই নামকরণকে দ্বিপদ নামকরণ বা বৈজ্ঞানিক নামকরণ বলে। যেমন: মানুষের বৈজ্ঞানিক নাম Homo sapiens.
খ. প্রাণীজগতের সবচেয়ে বৃহত্তম পর্বটির তিনটি বৈশিষ্ট্য লিখ।
উত্তর : প্রাণীজগতের সবচেয়ে বৃহত্তম পর্বটির নাম আর্থ্রোপোডা।
তিনটি সাধারণ বৈশিষ্ট্য:
১. দেহ বিভিন্ন অঞ্চলে বিভক্ত ও সন্ধিযুক্ত উপাঙ্গ বিদ্যমান।
২. মাথায় একজোড়া পুঞ্জাক্ষি ও অ্যান্টেনা থাকে।
৩. নরম দেহ শক্ত কাইটিন সমৃদ্ধ শক্ত আবরণী দ্বারা আবৃত।
ক. কোষ বিভাজন কাকে বলে?
উত্তর : যে পদ্ধতিতে একটি মাতৃকোষ বিভাজিত হয়ে অপত্য কোষের সৃষ্টি হয় তাকে কোষ বিভাজন বলে।
খ. ক্যারিওকাইনেসিস এবং সাইটোকাইনেসিসের ব্যাখ্যা দাও।
উত্তর : আমরা জানি, মাইটোসিস কোষ বিভাজন একটি ধারাবাহিক পদ্ধতি। মাইটোসিস কোষ বিভাজনটি দুইটি পর্যায়ে সম্পন্ন হয়। প্রথম পর্যায়ে নিউক্লিয়াস এবং দ্বিতীয় পর্যায়ে সাইটোপ্লাজমের বিভাজন হয়। নিউক্লিয়াসের বিভাজনকে ক্যারিওকাইনেসিস এবং সাইটোপ্লাজমের বিভাজনকে সাইটোকাইনেসিস বলে।
ক. মাইটোসিসকে কেন সমীকরণিক বিভাজন বলে?
উত্তর :মাইটোসিস কোষ বিভাজনে প্রতিটি ক্রোমোজোম লম্বালম্বিভাবে দু’ভাগে বিভক্ত হয়। ফলে সৃষ্ট নতুন কোষ দু’টিতে ক্রোমোজোমের সংখ্যা, গঠন ও গুণাগুণ মাতৃকোষের ক্রোমোজোমের সংখ্যা, গঠন ও গুণাগুণ এর সমান থাকে। তাই মাইটোসিস কোষ বিভাজনকে সমীকরণিক বিভাজন বলে।
