স্বজনরা লাশ না নেওয়ায় কয়েদীর দাফন করলো শ্রমিক লীগ

আপডেট : ১৫ মে ২০২০, ০৪:১৫

সিলেট কেন্দ্রীয় কারাগারে করোনা আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে মারা যাওয়া হত্যা মামলার আসামি আহমদ হোসনের (৫৩) লাশ দাফন করা হয়েছে।  

মহানগর শ্রমিক লীগের স্বেচ্ছাসেবকদের তত্ত্বাবধায়নে নগরীর হযরত মানিকপীর (র.) কবরস্থানে দাফন করা হয়। ওসমানী মেডিকেল কলেজ মর্গে ময়নাতদন্ত শেষে বুধবার বাদ আসর এই কয়েদীর দাফন শেষ হয়।

রবিবার চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান তিনি। পরে তার লাশ রাখা হয় ওসমানী মেডিকেলের মরচুয়ারিতে। এর আগে সোমবার তার করোনার রিপোর্ট পজিটিভ আসে। 

সিলেট কেন্দ্রীয় কারাগারের সিনিয়র জেল সুপার মো. আব্দুল জলিল বলেন, স্বজনরা লাশ গ্রহণ নিয়ে দোটানায় ছিলেন। তাই বুধবার বিকালে ম্যাজিস্ট্রেট ও পুলিশের উপস্থিতিতে নিহতের লাশের সুরতহাল রিপোর্ট তৈরি করে ময়নাতদন্ত হয়।

ময়নাতদন্ত শেষে লাশ স্বেচ্ছাসেবকদের কাছে হস্তান্তর করা হয়। তার জানাজায় শুধু মাত্র তার একজন চাচাতো ভাই ও মহানগর শ্রমিক লীগের স্বেচ্ছাসেবকরা উপস্থিত ছিলেন।  

এদিকে সিলেট বিভাগে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বেড়েছে। ১২ ঘণ্টায় বেড়েছে ২৮ রোগী। বৃহস্পতিবার সকাল পর্যন্ত আক্রান্তের সংখ্যা গিয়ে দাড়ায় ৩৪৪ জনে। 

এদিকে লকডাউন পরিস্থিতিতেও সিলেটের রাস্তায় যানজট দেখা দিয়েছে। বিশেষ করে জিন্দাবাজারে বেশি জট। 

এদিকে বিশ্বনাথ উপজেলার পুলিশের চার কর্মকর্তা ও জনস্বাস্থ্য বিভাগের এক প্রকৌশলীর করোনা শনাক্ত হয়। চার পুলিশ কর্মকর্তার মধ্যে দুজন এসআই ও দুজন এএসআই রয়েছেন।  

বিশ্বনাথ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) মো. কামরুজ্জামান জানান, বুধবার ঢাকার ল্যাবে পরীক্ষায় এ পাঁচজনের করোনা শনাক্ত হয়। এদের মধ্যে জনস্বাস্থ্য প্রকৌশলী নিজ বাসায় আইসোলেশনে রয়েছেন। 

করোনা পজিটিভ শনাক্ত হওয়ার চার পুলিশ কর্মকর্তাদের সিলেটে পুলিশ হাসপাতালের আইসোলেশনে পাঠানো হয়। 

ইত্তেফাক/জেডএইচ