সম্প্রতি বাগেরহাটের শরণখোলায় করোনায় কর্মহীন নিম্নমধ্যবিত্ত ও হতদরিদ্রদের প্রধানমন্ত্রী ঘোষিত আর্থিক সহায়তার তালিকা তৈরিতে ব্যাপক অনিয়ম ধরা পড়ার পর তা সংশোধনে মাঠে নেমেছে উপজেলা প্রশাসন। যেহেতু মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে এই অর্থ দেওয়ার কথা, তাই এই সুযোগে এক ইউপি সদস্য নিজের মোবাইল নম্বরটি জুড়ে দিয়েছেন ৪০ জন সুবিধাভোগীর নামের পাশে। এমন অনিয়ম শুধু বাগেরহাট নয়, দেশের বিভিন্ন স্থানে হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। ইতিমধ্যে প্রায় ৪০ জন স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও কয়েকজন আমলার বিরুদ্ধে ত্রাণের চাল আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে। করোনাকালে ক্ষতিগ্রস্ত ৫০ লাখ পরিবার ‘প্রধানমন্ত্রীর ঈদ উপহার’ হিসেবে আড়াই হাজার টাকা করে নগদ সহায়তা পাবে। অনেক স্থানীয় জনপ্রতিনিধি নিজের কিংবা নিকটাত্মীয়ের ফোন নাম্বার দিয়ে অর্থ হাতিয়ে নিতে পারে এবং এরকম হওয়া বিচিত্র নয়। তাই যাচাই-বাছাই করে তারপর দেওয়া হোক—যেনো প্রকৃত অসহায় ব্যক্তিরা প্রধানমন্ত্রীর এ উপহার পান।
এমদাদুল হক সরকার
শিক্ষার্থী, কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়
