রয়েছে
করোনা
ঝুঁকি
কমল কান্ত রায়, গঙ্গাচড়া (রংপুর) সংবাদদাতা
অনেক দিন পর দোকান খুলেছে। সামনে ঈদ। সেই ঈদকে ঘিরে রংপুরের গঙ্গাচড়ায় করোনা ঝুঁকি নিয়ে চলছে ঈদের কেনাকাটা। ক্রেতা-বিক্রেতাদের মাঝে আনন্দ। সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৫টা পর্যন্ত চলছে এসব দোকান। তবে কোনো নিয়মনীতির বালাই নেই। এ কারণে উপজেলায় করোনা সংক্রমণ ব্যাপক আকার ধারণ করতে পারে বলে খোদ আশঙ্কা করছেন স্বাস্থ্য বিভাগ। দোকান খোলার ব্যাপারে সরকার কিছুটা নমনীয় ভাব দেখালেও সামাজিক দূরত্ব বজায়, দোকানে হ্যান্ড স্যানিটাইজার, মাক্স ব্যবহার, এক স্থানের লোক অন্য স্থানে না যাওয়াসহ বিভিন্ন নিয়ম ও শর্ত সাপেক্ষে দোকান খোলার কথা বলা হলেও উপজেলার কোনো দোকানদারই নিয়ম মানছে না। সরেজমিনে সকালে উপজেলার সানাবিল সুপার মার্কেটে গিয়ে দেখা যায় এমন দৃশ্য। বিশেষ করে রেডিমেট কাপড়ের দোকান, কসমেটিক ও জুতা সেন্ডেলের দোকানে ক্রেতাদের ভিড়। ঈদের কেনাকাটা করতে মানুষ ব্যস্ত হয়ে পড়েছে। তবে বেশির ভাগই মহিলা ও শিশু। অনেকে দোকানে লোকজনের ভিড় দেখে আতঙ্কিত হয়ে পড়ছেন।
উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. আসিফ ফেরদৌস বলেন, সরকার লোকজনের ভোগান্তির কথা বিবেচনা করে কিছু শর্ত সাপেক্ষে সীমিত আকারে দোকান খোলার অনুমতি দিয়েছে। কিন্তু লোকজনতো কোনো নিয়মই মানতেছে না। খুব আতঙ্কের মধ্যে আছি। এ জন্য উপজেলা প্রশাসন, সেনাবাহিনী, পুলিশ বাহিনী, স্বাস্থ্য বিভাগসহ অনেক দপ্তর এখানে কাজ করছে। কিন্তু জনগণ সচেতন হচ্ছে না। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তাসলীমা বেগম বলেন, করোনা প্রতিরোধে মানুষকে সচেতন করতে অনেক ধরনের পদক্ষেপ গ্রহণ করেছি। এর মধ্যে উপজেলা প্রশাসন, পুলিশ প্রশাসন, সেনাবাহিনী কর্তৃক সচেতনতা বৃদ্ধি, জনপ্রতিনিধির মাধ্যমে মাস্ক, লিফলেট বিতরণ, মাইকিং, হাট-বাজার সন্ধ্যা ৭টার পর বন্ধ এবং সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে চলাচল করার জন্য লোকজনকে আহ্বান করা হয়েছে। তাছাড়া বিভিন্ন স্থানে লোকজনের হাত ধোয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছে। কিন্তু সামাজিক দূরত্ব বিষয়টি খুব একটা সচেতন হয়নি। এত কিছু করার পরও লোকজন সচেতন হচ্ছে না।
