সৃষ্টির শুরুতে ছিল অনেক পৃথিবী। জগতের প্রাণীরা এজন্য তেমন খুশি নয়। অসন্তুষ্ট স্রষ্টার ইচ্ছেয় একের পর এক পৃথিবী ধ্বংস হতে থাকে। চিরতরে শেষ হয় মানুষের হাজার বছরের পৃথিবী।
স্রষ্টার এমন কাজে হঠাত্ বাধা পড়ে। পৃথিবীর নানা প্রাণী স্রষ্টাকে ভুলে যায়। দূর হয় মন্দ-কাজের অনুশোচনাও। সেইমতো স্রষ্টার নতুন সৃষ্টিতে কয়েকটি গুণ যোগ হয়।
তার দুই হাজার বছর পর এক আলাপচারিতায় স্রষ্টা আইনকে বলে, ‘নতুন পৃথিবী হবে রাজাশূন্য।’ এমন কথায় আইনের উত্তর, ‘সেনাবাহিনী ও রাজা বিনে পৃথিবী চালনা করা বড়োই কঠিন।’
স্রষ্টার ইচ্ছেমতো পৃথিবী তৈরি হয়। একদিন আইন উপহাসের ছলে বলে, ‘দুষ্টু মানুষের মাঝে বড়োই অসহায় লাগছে প্রভু।’
স্রষ্টার উত্তর, ‘মন্দ কাজের অনুশোচনা, ন্যায়বিচারের পবিত্র সিংহাসন, পাপের প্রায়শ্চিত্তে মনোরম শিবিরে প্রেরণ, ভালো কাজের পুরস্কার হিসেবে আশ্চর্য বাগানে ভ্রমণ, অপরাধীর শাস্তিস্বরূপ নরক লাভ, নিয়ম-শৃঙ্খলা রক্ষায় আইন ও মানুষের সংশোধনে মহাত্মা দেবতার শিক্ষা প্রভৃতি হবে সবকিছুর রক্ষাকবচ।’
রূপান্তর : কুতুব আজাদ
অলংকরণ :সোহেল আশরাফ
