এসএমই খাতে প্রণোদনার বিশেষ ঋণ পেতে সহায়তা করবে এফবিসিসিআই

আপডেট : ১৯ মে ২০২০, ২০:৪৯

অসহযোগিতা করছে

ব্যাংকগুলো

শেখ ফজলে ফাহিম

 ইত্তেফাক রিপোর্ট

কুটির, মাইক্রো, ক্ষুদ্র ও মাঝারি (সিএমএসএমই) শিল্প উদ্যোক্তাদের সক্ষমতা ধরে রাখতে সরকার ঘোষিত ২০ হাজার কোটি টাকার আর্থিক প্রণোদনা প্যাকেজ থেকে ব্যবসায়ীদের বিশেষ ঋণ পেতে সহায়তা করবে ফেডারেশন অব বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (এফবিসিসিআই)। করোনা ভাইরাস চলাকালে হালকা প্রকৌশল খাতের ব্যবসায়ীদের সঙ্গে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে মতবিনিময়ে এ তথ্য জানান এফবিসিসিআই সভাপতি শেখ ফজলে ফাহিম। তিনি বলেন, করোনা পরিস্থিতির কারণে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বিভিন্ন সেক্টরে থাকা ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী ও নতুন উদ্যোক্তারা। ব্যাংক মালিকদের সংগঠনের পক্ষ থেকে আমাকে জানানো হয়েছিল যে, তারা এসএমই খাতের সহায়তার জন্য ব্যবস্থা নিতে বলবেন এবং প্রয়োজনে এফবিসিসিআই-এর চেম্বার ও অ্যাসোসিয়েশনগুলোর সহযোগিতা নিবেন। কিন্তু এখনো আমরা দৃশ্যমান ফলপ্রসূ কোনো পদক্ষেপ লক্ষ্য করছি না। ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়গুলো এখনো কোনো হেল্প ডেস্ক চালু করেনি এবং শাখাগুলোকেও কোনো পরিষ্কার নির্দেশনা দেয়নি।

তিনি বলেন, এই অসহযোগিতার বিষয়টি অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল এবং সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের জানানো হয়েছে। আর্থিক প্রণোদনা প্যাকেজ ঘোষণা দেওয়ার পরও আশানুরূপ কাজ হচ্ছে না। আমার মনে হয়, ব্যাংকগুলো এই বিষয়টি নিয়ে এগিয়ে আসবে এবং খুব তাড়াতাড়ি এর সমাধান হবে। নিটল-নিলয় গ্রুপের চেয়ারম্যান ও এফবিসিসিআইয়ের সাবেক সভাপতি আব্দুল মাতলুব আহমাদ বলেন, দেশের ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা বর্তমানে না খেয়ে আছে। তাদের দুঃখ-কষ্টের দিকে এখনি নজর দেওয়া উচিত। সরকারের দেওয়া ২০ হাজার কোটি টাকার প্যাকেজের ওপর ভরসা করে বসে থাকলে এসব ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা না খেয়ে মারা যাবে। তাই সিএমএসএমই খাতে দেওয়া প্যাকেজটি মে-জুনের মধ্যে পৌঁছে দেওয়ার জন্য ফেডারেশনকে নজর দিতে হবে।

লাইট ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যাসোসিয়েশনসমূহের নেতারা বলেন, বর্তমানে এই খাতের পণ্যসমূহের জন্য ক্রয়ক্ষমতা বাড়ানোর পাশাপাশি ভ্যাট ও ট্যাক্স বন্ধ করতে হবে। কারণ বর্তমানে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছি আমরা। এছাড়া এই খাতের জন্য ১০ বছর কিংবা ৫ বছরের জন্য সরকারের একটি আর্থিক প্যাকেজ ঘোষণা করা প্রয়োজন, যাতে কাঁচামালের ওপর যেকোনো সময় ট্যাক্স বাড়াতে না পারে। এছাড়াও লাইট ইঞ্জিনিয়ারিং খাতটি পরিচালনার জন্য একটি নির্দিষ্ট নীতিমালা করা প্রয়োজন বলে মনে করেন তারা।