ইলিয়াস আহমেদ চৌধুরীর (দাদা ভাই) ২৯তম মৃত্যুবার্ষিকী পালিত

আপডেট : ২০ মে ২০২০, ০০:২১

শিবচরে যথাযোগ্য মর্যাদা ও নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে জাতীয় সংসদের সাবেক সদস্য ও গণপরিষদ সদস্য, মুক্তিযোদ্ধা, মুজিব বাহিনীর কোষাধ্যক্ষ, বিশিষ্ট ক্রীড়া সংগঠক, বিশিষ্ট সমাজ সেবক, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের বড় ভাগ্নে ইলিয়াস আহমেদ চৌধুরী দাদা ভাইয়ের ২৯ তম মৃত্যুবার্ষিকী মঙ্গলবার (১৯ মে) পালিত হয়েছে। সকালে শিবচরের দত্তপাড়ায় তার সমাধীতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন ও মোনাজাতে অংশ নেন তার জ্যেষ্ঠ ছেলে জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ নূর-ই-আলম চৌধুরী এমপি, মরহুমের কনিষ্ঠ ছেলে ফরিদপুর-৪ আসনের সংসদ সদস্য মজিবুর রহমান চৌধুরী নিক্সন, মরহুমের আরও দুই ছেলে লিখন চৌধুরী, রিপন চৌধুরীসহ পরিবারের অন্য সদস্যরা। 

অন্যদের মধ্যে আও উপস্থিত ছিলেন, জেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি শাহাবুদ্দিন আহমেদ মোল্লা, সিনিয়র সহ সভাপতি মুনির চৌধুরী, জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মিয়াজউদ্দিন খান, উপজেলা চেয়ারম্যান মো. সামসুদ্দিন খান, উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. আসাদুজ্জামান, শিবচর থানার অফিসার ইনচার্জ  আবুল কালাম আজাদ, উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আ. লতিফ মোল্লা, সাধারণ সম্পাদক ডা. মো. সেলিম, পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি তোফাজ্জেল হোসেন খান (তোতা) প্রমুখ। 

করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ এড়াতে এবার কর্মসূচিগুলোতে স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ করা হয়। পরবর্তন আনা হয় উপজেলা আওয়ামী লীওগর কর্মসূচিতেও। পৌরসভা ও ইউনিয়নের প্রতিটি মসজিদে দোয়া ও ইফতার মাহফিল স্বাস্থ্যবিধি অনুসরন করে আয়োজন করা হং। মন্দিরগুলোতেও আয়োজন করা হয়েছে প্রার্থনা সভার।

উল্লেখ্য, ইলিয়াস আহমেদ চৌধুরী দাদা ভাই ছিলেন জনপ্রিয় দৈনিক বাংলার বাণী’র সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি। তিনি খুলনা আবহানী ক্রীড়া চক্রের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ও আরামবাগ ক্রীড়া চক্রের সভাপতি  ছিলেন। তিনি খুলনা অভ্যন্তরীণ নৌ পরিবহন মালিক গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ছিলেন। বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য, মাদারীপুর জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ছিলেন তিনি। ঢাকা-মাওয়া-খুলনা মহাসডকের অন্যতম প্রস্তাবক ছিলেন। শিক্ষা বিস্তারের জন্য তিনি বহু শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নির্মাণ করেন। নারী শিক্ষা বিস্তারে তার ভূমিকার উদাহরণ হিসেবে তিনি প্রতিষ্ঠা করেন শেখ ফজিলাতুন্নেছা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়। স্বপ্নের পদ্মা সেতুও তার লালিত স্বপ্নের একটি। এই মহান নেতা ১৯৯১ সালের ১৯মে হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।

ইত্তেফাক/এসি