প্রতিকারের চেয়ে প্রতিরোধ সবসময় ভালো—এটা আমরা শুনে এলেও এর কার্যকর ব্যবহার আমাদের মধ্যে কখনোই পরিলক্ষিত হয় না। যতক্ষণ পর্যন্ত তা এক বিরাট রকমের খারাপ রূপ না নেয়, ততক্ষণ আমাদের যেন চেতন ফেরে না। চলতি বছর ২৬০ জন ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হন। এদের মধ্যে ২৫০ জন চিকিত্সা শেষে হাসপাতাল ছেড়েছেন। ইতিমধ্যে ঢাকাসহ সারা দেশে মশার অবাধ বিস্তার লক্ষ করা যাচ্ছে, যা সত্যিকার অর্থেই হুমকিস্বরূপ। অ্যাডিস মশা খুব অল্প পানিতে ডিম পাড়ে, যা পানি ছাড়াও প্রতিকূল পরিবেশেও টিকে থাকতে পারে। এজন্যেই এর লার্ভা ধ্বংস করা খুবই জরুরি, নির্মাণাধীন ভবনের প্রজননস্থল ধ্বংস করেও ৪০ শতাংশ প্রাদুর্ভাব কমানো সম্ভব। ডেঙ্গু যাতে গত বছরের মতো ভয়ানক হয়ে উঠতে না পারে, সেজন্যে আমাদের সচেতন হতে হবে। যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া বাঞ্ছনীয়। আমাদের লক্ষ রাখতে হবে, করোনা প্রতিরোধ করতে গিয়ে ডেঙ্গু যেন মহামারিতে পরিণত না হয়।
আবু তালহা আকাশ
শিক্ষার্থী, ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগ,
ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়, কুষ্টিয়া
