জৈন্তাপুর উপজেলায় দিন দিন করোনা ভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা বাড়েই চলছে এবং আতঙ্ক বিড়াজ করছে উপজেলার প্রতিটি সাধারণ নাগরিক ও বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা কর্মচারীদের মধ্যে। নতুন করে আক্রান্ত হয়েছে উপজেলায় সরকারি চাকুরীজীবী ও সাধারণ নাগরিকসহ ৬জন। অপর দিকে বৃহস্পতিবার করোনা উপসর্গ নিয়ে নিহত ইউপি সচিব আবুল হোসেনের পরিবারের ৩ সদস্যসহ মোট ৪৪ জনের নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে।
উপজেলা স্বাস্থ্য পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা সূত্রে জানা যায়, সিলেট জৈন্তাপুর উপজেলায় বিভিন্ন সরকারি দপ্তরগুলিতে কোভিড-১৯ করোনা ভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা দিন দিন বেড়ে যাওয়ায় নতুন করে উপজেলায় অবস্থানকারী সকল দপ্তরের কর্মকর্তা কর্মচারী ও সাধারণ নাগরিকসসহ নতুন করে ৪৪ জনের নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। এ নিয়ে মোট নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে ১৪১জনের, নারীসহ মোট আক্রান্ত ১৩জন, ১জন সুস্থ্য হয়ে বাড়ী ফিরে এসেছে। করোনা উপসর্গ নিয়ে মারা গেছে ১জন।
এ দিকে রির্পোটে নেগেটিভ পাওয়া গেছে ৬৮ জনের, রেজাল্টের অপেক্ষায় রয়েছে ৬০জন। গত দুই দিনে নতুন করে জৈন্তাপুর উপজেলায় আক্রান্ত হয়েছে তারা হলো- জৈন্তাপুর উপজেলার সহকারী কৃষি কর্মকর্তা সুব্রত দেব নাথ, অফিস সহকারী মোঃ আবু ইউছুফ, পিপিএম কাইয়ুম আহমদ, জনস্বাস্থ্য প্রকৌশলী রাশেল ভূইয়া, প্রাথমিক শিক্ষা অফিসের অফিস সহকারী শীশাকর ঘোষ, উপজেলা নির্বাহী অফিসের কম্পিউটার প্রোগ্রামার মোঃ ওয়াহিদুল ইসলাম, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লোক্সের নৈশ্য প্রহরী সেলিম আহমদ এবং জৈন্তাপুর উপজেলা চারিকাটা ইউনিয়নের সরুখেল গ্রামের আসাদ উদ্দিন।
উপজেলা স্বাস্থ্য পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা মোঃ আমিনুল হক সরকার প্রতিবেদককে বলেন, উপসর্গ ছাড়াই উপজেলা করোনা ভাইরাস পজেটিভ পাওয়া যাচ্ছে, যার ফলে আমরা সেচ্ছায় উপজেলার সকল দপ্তরের কর্মকর্তা কর্মচারীদের নমুনা সংগ্রহ করে ল্যাবে প্রেরণ করছি। নতুন করে নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে ৪৪ জনের। এছাড়া উপজেলার মধ্যে যাকে সন্দেহ হচ্ছে তার নমুনা সংগ্রহ করে ল্যাবে প্রেরণ করা হচ্ছে।
