করোনা পরিস্থিতির কারণে টানা দুই মাস যাত্রীবাহী বিমান চলাচল বন্ধ থাকার পর চট্টগ্রাম শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমান বন্দর ১ জুন থেকে অভ্যন্তরীণ রুটে বিমান চলাচলের জন্য সর্বাত্মকভাবে প্রস্তুত হচ্ছে। তবে আপাতত দেশের ৪টি বিমান সংস্থার মধ্যে ৩টি সংস্থার বিমান চট্টগ্রাম-ঢাকার মধ্যে যাত্রী পরিবহন করবে। অন্যদিকে গত প্রায় এক বছর ধরে বন্ধ থাকা চট্টগ্রাম-কক্সবাজার রুটের অভ্যন্তরীণ ফ্লাইট চালু হওয়ার বিষয়টি এখনো অনিশ্চিত রয়ে গেছে।
জানা গেছে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের বহরে ছোটো ধরনের এয়ারক্র্যাফট স্বল্পতার কারণে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার রুটের অভ্যন্তরীণ ফ্লাইট আপাতত বন্ধই থাকছে। গত বছরের ৮ মে মিয়ানমারের ইয়াংগুন আন্তর্জাতিক বিমান বন্দরে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের একটি ছোটো বিমান দুর্ঘটনাকবলিত হলে সেটি ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এতে ক্রুসহ ৩৩ জন আরোহী প্রাণে বেঁচে যান। তাদের মধ্যে গুরুতর আহত ১৫ জনকে হাসপাতালে ভর্তি করতে হয়েছিল। তবে ঐ বিমানটি আর চালু করা যায়নি এবং তার স্থলে বিমান বাংলাদেশের নতুন কোনো বিমান না আসায় চট্টগ্রাম-কক্সবাজারের ফ্লাইটটি আর চালু হয়নি বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়।
চট্টগ্রাম শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমান বন্দরের ব্যবস্থাপক উইং কমান্ডার সরোয়ার-ই-জামান ইত্তেফাককে বলেন, সরকারের নির্দেশনা অনুসারে সব ধরনের স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ করে চট্টগ্রাম থেকে ঢাকায় অভ্যন্তরীণ ফ্লাইটসমূহ ১ জুন থেকে চালু হচ্ছে। ১৫ জুন থেকে কঠোর স্বাস্থ্যবিধি ও নজরদারির মধ্যে আন্তর্জাতিক ফ্লাইটও চালু হতে পারে বলে আভাস মিলছে। তবে আন্তর্জাতিক ফ্লাইট চালুর বিষয়ে এমুহূর্ত পর্যন্ত নির্দেশনা পাইনি। ১ জুন থেকে আপাতত চট্টগ্রাম-ঢাকা রুটে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স, নভো এয়ার এবং ইউএস বাংলার এয়ারক্র্যাফটগুলো যাত্রী পরিবহন শুরু করবে। রিজেন্ট এয়ার ওয়েজের কোনো ফ্লাইট থাকবে না। তিনি জানান, পুরোদমে চট্টগ্রাম বিমান বন্দর চালু হলে প্রতিদিন গড়ে ১৫টি ফ্লাইট এই বিমান বন্দর দিয়ে ঢাকা-চট্টগ্রামে যাত্রী আনা নেওয়া করবে।
