গোপালপুর উপজেলার ঝাওয়াইল বাজারের ফার্মাসিস্ট এবং প্রাইভেট প্র্যাকটিশনার প্রশান্ত কুমার চন্দ (৪৮) করোনার উপসর্গ নিয়ে শুক্রবার দুপুরে ধানমন্ডির আনোয়ার খান মডার্ন মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে মারা যান। গত সোমবার তিনি জ্বর, কাশি ও সর্দি নিয়ে ঢাকা মহানগর হাসপাতালে ভর্তি হন। অবস্থার অবনতি ঘটলে গত বৃহস্পতিবার তাকে ঢাকার ধানমন্ডি আনোয়ার খান মডার্ন কলেজ ও হাসপাতালে নেয়া হয়। সেখানে তাকে আইসিইউতে রাখা হয়। শুক্রবার দুপুর সাড়ে তিনটায় তিনি এখানে মারা যান।
ওই হাসপাতালের মেডিসিনের প্রফেসর ডা. রফিকুল ইসলাম জানান, প্রশান্ত তার গ্রামের ছেলে। করোনার উপসর্গ নিয়ে তিনি গত বৃহস্পতিবার এখানে ভর্তি হন। তাকে সব ধরনের চিকিৎসা দেয়া হয়। করোনা পরীক্ষার জন্য তার শরীর থেকে নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে।
প্রশান্তের বড় ভাই ভূঞাপুর ইব্রাহীম খাঁ সরকারি কলেজের সহকারি অধ্যাপক প্রভাষ চন্দ খবরটি নিশ্চিত করে জানান, ঝাওয়াইল বাজারে প্রসন্ন মেডিক্যাল হল নামে প্রশান্তের একটি ক্লিনিক রয়েছে। সরকারি চাকরি বাদ দিয়ে তিনি গরীব মানুষকে এখানে সারা জীবন চিকিৎসা সেবা দিয়ে গেছেন। তাকে সরকারি নিয়মে ঢাকায় দাহ করা হবে বলে জানান তিনি। এদিকে গরীবের ডাক্তার বলে খ্যাত প্রশান্ত চন্দের অকাল মৃত্যূতে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে আসে।
গোপালপুর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. আলীম আল রাজি জানান, প্রশান্তের করোনা পরীক্ষার রিপোর্ট পজিটিভ হলে সরকারি নিয়ম অনুযায়ী বাসাবাড়ি ও ক্লিনিক লকডাউন করা হবে। গোপালপুর উপজেলা কেমিস্ট অ্যান্ড ড্রাগিস্ট সমিতির সভাপতি লুৎফুল কবীর প্রশান্তের অকাল মৃত্যূতে শোক প্রকাশ করেন।
ইত্তেফাক/কেকে
