সীমিত পরিসরে ট্রেন চালুর প্রাথমিক সিদ্ধান্তের পর ট্রেনের আগাম টিকিট কিনতে শনিবার সকাল থেকে রাজশাহী রেলওয়ে স্টেশনে শত শত যাত্রীর ভিড় দেখ গেছে। তবে দুপুর ১২টার দিকে কাউন্টারে টিকিট বিক্রি করা হবে না বলে জানান রেলমন্ত্রী অ্যাডভোকেট নুরুল ইসলাম সুজন। পরে সকাল থেকে লাইনে দাঁড়িয়ে থাকা যাত্রীরা কাউন্টার ত্যাগ করেন।
রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, গত বৃহস্পতিবার দেশের বিভিন্ন রুটে স্বাস্থ্যবিধি মেনে সীমিত পরিসরে পশ্চিমাঞ্চল রেলওয়ের চারটি ট্রেন চালুর সিদ্ধান্ত হয়। রবিবার (৩১ মে) থেকেই ট্রেনগুলো চলার কথা। এগুলো হলো- চাঁপাইনবাবগঞ্জ থেকে রাজশাহী হয়ে ঢাকাগামী বিরতিহীন বনলতা এক্সপ্রেস, লালমনিরহাট থেকে ঢাকাগামী লালমনি এক্সপ্রেস, খুলনা থেকে ঢাকাগামী চিত্রা এক্সপ্রেস এবং পঞ্চগড় থেকে ঢাকাগামী পঞ্চগড় এক্সপ্রেস।
এসব ট্রেন আগের সময় অনুযায়ী গন্তব্যে যাবে এবং আবার নির্ধারিত স্থানে ফিরে আসবে। শনিবার দুপুরে পশ্চিমাঞ্চল রেলওয়ের মহাব্যবস্থাপক (জিএম) মিহির কান্তি গুহ জানিয়েছেন, শনিবার দুপুরে রেলমন্ত্রী ঢাকায় সংবাদ সম্মেলন করে ট্রেন চালুর চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের বিষয়টি জানিয়েছেন। শতভাগ টিকেট অনলাইনে বিক্রি করা হবে, কাউন্টারে কোনো টিকিট বিক্রি করা হবে না। এমনকি যাত্রীরা অনলাইনে টিকেট কিনলে প্রাপ্ত মেসেজের ভিত্তিইে ট্রেনে ভ্রমণ করতে পারবেন। অর্থাৎ রেলওয়ে স্টেশনের টিকেট কাউন্টার সম্পূর্ণ বন্ধ থাকবে।
আরও পড়ুন: গৃহবধূর যৌনাঙ্গে কাদা বালি ঢুকিয়ে হত্যার পর দায় চাপানো হয়েছিল জিন-ভূতের ওপর
নির্ভরযোগ্য সূত্রে জানা গেছে, বিকেল পর্যন্ত সার্ভার ঠিক না হওয়ায় কাউন্টার থেকে যাত্রীদের অনলাইনে কেনা টিকেটও প্রিন্ট দেওয়া হবে না। শনিবার বিকাল ৫টার পর অথবা রবিবার থেকে অনলাইনে কেনা টিকেট প্রিন্ট দেওয়া হতে পারে বলে অপর একটি সূত্রে জানা গেছে।
প্রসঙ্গত, করোনা ভাইরাস ছড়িয়ে পড়া রোধে প্রায় দুই মাস আগে ট্রেন চলাচল বন্ধ করে দেওয়া হয়। ঈদের আগে রাজশাহী রেলওয়ে স্টেশনে ট্রেন চালুর প্রস্তুতি শুরু হয়। যাত্রীদের শারীরিক দূরত্ব নিশ্চিত করতে অঙ্ক করা হয় বৃত্ত। এরপরই সীমিত পরিসরে ট্রেন চালু করার সিদ্ধান্ত হয়।
ইত্তেফাক/এসি
