জাতীয় শিক্ষা জরিপ ২০১৯ হালনাগাদকরণের জন্য নন-এমপিও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এবং শিক্ষক-কর্মচারীদের তথ্যসমূহ নির্ধারিত ছকে পূরণ করে পাঠাতে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগ ২৩ মে ২০২০ তারিখে পরিপত্র জারি করে (স্মারক নং ৩৭.০০.০০০০.০৭৪.০০২.০০৩.২০১৯.৮৭)। ১৮ মে জারি করা হয় নতুন সরকারি হওয়া কলেজের নন-এমপিও শিক্ষক-কর্মচারীদের বেতন প্রদান বিষয়ক পরিপত্র (স্মারক নং ৩৭.০০.০০০০.০৮৫.৯৯.০০১.২০.৫২)। উভয় ক্ষেত্রে নন-এমপিও শিক্ষক বাছাইয়ে কলেজ-অধ্যক্ষরা দ্বিধা-দ্বন্দ্বে পড়েন। নন-এমপিও শিক্ষক বলতে বোঝায় যাঁরা জনবল কাঠামোর অন্তর্ভুক্ত এবং এমপিওভুক্তির যোগ্য অর্থাত্ এমপিওভুক্তির বিষয়টি যাঁদের প্রক্রিয়াধীন আছে। পাশাপাশি এর বাইরে এমন অনেক শিক্ষক কর্মরত আছেন যাঁরা জনবল কাঠামোর বহির্ভূত এবং যাঁদেরকে কখনোই এমপিওভুক্ত করা হয় না। এঁদের নন-এমপিও শিক্ষক বলা যায় না। বাস্তবতা হচ্ছে, উচ্চ মাধ্যমিক স্তরের বিষয়ভিত্তিক দ্বিতীয় পদ, ডিগ্রি পাস স্তরের বিষয়ভিত্তিক তৃতীয় পদ (বর্তমানে এ পদটি জনবল কাঠামোর অন্তর্ভুক্ত করে এমপিওভুক্তি প্রক্রিয়াধীন আছে), ডিগ্রি সম্মান ও মাস্টার্স স্তরের সকল শিক্ষকের পদ জনবল কাঠামো বহির্ভূত বলে এমপিওভুক্ত করা হয় না। এইসব ক্ষেত্রে এমপিওর বিপরীতে নন-এমপিও ব্যবহার করলে অস্পষ্টতা থেকে যায়। প্রতিষ্ঠান কর্তৃক সৃষ্ট পদে কর্মরত এইসব শিক্ষকের এমপিওভুক্তির দরজা না খোলা পর্যন্ত ‘নিজস্ব শিক্ষক’ নামে অভিহিত করা যেতে পারে। কারণ জনবল কাঠামো বহির্ভূত এমপিও অযোগ্য পদে কর্মরত শিক্ষকদের বেতনভাতা নিয়োগের শর্ত অনুযায়ী প্রতিষ্ঠানের নিজস্ব অর্থায়নে চলে। পরিশেষে, বিষয়টির অস্পষ্টতা দূর করার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক
