বিএনপির সিনিয়র নেতারা বলেছেন, করোনা মহামারি উত্তর বিশ্বে পরিবর্তন আসবে সবকিছুতেই। আর এই পরিবর্তনে বাংলাদেশের সামাজিক, অর্থনৈতিক পরিমণ্ডলও যুক্ত থাকবে। এই পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে যাতে সত্যিকার অর্থে দেশে গণতন্ত্র আসে, সে প্রচেষ্টা চালাতে দলের সর্বস্তরের নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। ‘অবরুদ্ধ গণতন্ত্রের মুক্তি’র প্রত্যাশায় সামনে এগুনোর অঙ্গীকার করতে হবে।
গতকাল শনিবার বিকালে দলের প্রতিষ্ঠাতা সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৩৯তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষ্যে আয়োজিত ভার্চুয়াল আলোচনা সভায় নেতারা এসব কথা বলেন। ঐ ভার্চুয়াল আলোচনা সভা আয়োজন করে বিএনপি কমিউনিকেশন। বিএনপির ফেসবুক পেজ থেকে সরাসরি লাইভ সম্প্রচার করা হয় এই আলোচনা অনুষ্ঠান। নেতারা জানান, গুলশানে ‘ফিরোজা’য় দলের চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া ও লন্ডন থেকে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ইন্টারনেটে এই ভার্চুয়াল আলোচনা সভা শুনেছেন।
প্রথমবারের মতো সিনিয়র নেতাদের সমন্বিত এ ভার্চুয়াল আলোচনা সভা পরিচালনা করেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। বক্তব্য রাখেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, ব্যারিস্টার মওদুদ আহমেদ, মির্জা আব্বাস, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, নজরুল ইসলাম খান, ভাইস চেয়ারম্যান মেজর অব. হাফিজ উদ্দিন বীর বিক্রম, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ভিসি প্রফেসর এমাজউদ্দিন আহমেদ, কল্যাণ পার্টির চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল সৈয়দ ইব্রাহিম, অধ্যাপক ড. মাহবুব উল্লাহ।
মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, একেকটা এই ধরনের মহামারির পরে পরিবর্তন আসে, যুগের পরিবর্তন হয়, সভ্যতার পরিবর্তন হয়ে যায়। আসুন আজকে আমরা সবাই মিলে এই পরিবর্তনকে সামনে নিয়ে সামনের দিকে এগিয়ে যাই। গণতন্ত্রের মুক্তি হোক এবং মানুষের মুক্তি হোক। দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া মুক্তি পাক এবং পরিপূর্ণভাবে বাংলাদেশ মুক্তি পাক—এই হলো আজকে আমাদের অঙ্গীকার। বিএনপি মহাসচিব বলেন, সংগ্রাম গণতন্ত্রের জন্য, সংগ্রাম স্বাধীনতার জন্য, সংগ্রাম মুক্তির জন্য—আজকের এই দিনে এটাই হোক আমাদের অঙ্গীকার।
ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেন, জনগণ এই বিএনপির পেছনে আছে। অতীতে যে কটা নির্বাচন প্রত্যেকটাতে প্রমাণিত হয়েছে যে, সরকারি দল যারা এখন দেশ পরিচালনা করছে তারা বুঝতে পেরেছে জনগণ যদি ভোট দিতে পারে তাহলে বিএনপিকে ক্ষমতায় বসাবে। এজন্য জনগণকে ভোট দেওয়ার সুযোগ দেয়নি তারা।
