আম্ফান : বেনাপোলে খোলা আকাশের নিচে হাজারো মানুষ

আপডেট : ৩১ মে ২০২০, ১৫:৫০

ঘূর্ণিঝড় আম্ফানের তাণ্ডবে বেনাপোল ও শার্শা উপজেলার হাজার হাজার মানুষ খোলা আকাশের নিচে মানবেতর জীবন যাপন করছে। এখনো তারা কোনও ত্রাণ সামগ্রী পাননি। অনেকে ট্রেন লাইনে রাত কাটাচ্ছেন।

একদিকে করোনা আতঙ্কে কর্মহীন মানুষ ঘরবন্দি হয়ে আছে। অন্যদিকে আম্ফানের নিঃস্ব হয়ে পড়েছে হাজারো মানুষ। বেনাপোলের ভবেরবেড় রেলের বস্তিতে বসবাসরত মানুষের ঘর বাড়ি উড়িয়ে নিয়ে গেছে। এ সব মানুষের খাদ্যের পাশাপাশি প্রয়োজন হয়ে পড়েছে গৃহ নির্মাণের। শিশু ও বৃদ্ধ বাবা-মাকে নিয়ে  বিপাকে পড়েছে এখানে বসবাসকারীরা। 

শার্শা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা  সৌতম কুমার শীল জানান, আম্ফানে শার্শা উপজেলার ১৮২টি গ্রামের ফল, ফলজগাছ, ক্ষেতের ফসল ও বনায়নের  ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে প্রায় দেড় হাজার কোটি টাকা। 

বেনাপোল পৌরসভা সূত্র জানায়, আম্ফানে পৌরসভার মধ্যেই এক হাজার ৫ শত কাঁচা-পাকা ঘরবাড়ি বিনষ্ট হয়েছে।


ভিক্ষুক, প্রতিবন্ধী ও বেওয়ারিশ কুকুরের মুখে তুলে দিচ্ছেন উদ্ভাবক মিজান

করোনার এই মহামারীতে যশোরের শার্শা ও বন্দরনগরী বেনাপোলে  ভিক্ষুক, প্রতিবন্ধী এবং বেওয়ারিশ কুকুরের মুখে নিজের রান্না করা খাবার তুলে দিচ্ছেন  তরুণ উদ্ভাবক মোটর মেকানিক মিজানুর রহমান। 

প্রতিদিন তিনি এ অঞ্চলের বিভিন্ন পয়েন্টে যে সব ভিক্ষুক, প্রতিবন্ধী ও বেওয়ারিশ কুকুর অনাহারে রাস্তার পাশে শুয়ে থাকে তাদেরকে  জাগিয়ে খাদ্য দিচ্ছেন মিজান। খাবার নিয়ে ছুটে বেড়াচ্ছেন বিভিন্ন বাজারের অলিতে গলিতে। তার খাদ্যের তালিকায় রয়েছে সাদা ভাত, মাছ, খিচুরি ও মাংস।

মিজানুর রহমান বলেন, ‘যতদিন দেশে করোনা ভাইরাসের কারণে সংকট থাকবে ততদিন আমি এ কার্যক্রম চালিয়ে যাবো। সমাজের বিত্তবানরা ও শার্শা উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) খোরশেদ আলম চৌধুরী এ কাজে তাকে সহযোগিতা করছেন।’

 
ইত্তেফাক/ইউবি