চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ পৌরসভার চকদৌলতপুর এলাকায় একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের নির্বাচনী পরিচালনা কমিটির আহ্বায়কের বাড়ি-ঘর ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগ উঠেছে। মঙ্গলবার দুপুরে শিবগঞ্জ পৌরসভার ৩ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর ও নির্বাচনী পরিচালনা কমিটির আহ্বায়ক জুম্মন আলী বাদী হয়ে ১৫ জনের বিরুদ্ধে শিবগঞ্জ থানায় একটি অভিযোগপত্র দায়ের করেন।
অভিযোগে জানা যায়, একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে শিবগঞ্জ পৌরসভার ৩ নম্বর ওয়ার্ডের নির্বাচনী ভোট কেন্দ্র শিবগঞ্জ ফাজিল মাদ্রাসায় ভোটাররা তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগের ফলে বিএনপির কর্মীরা আওয়ামী লীগ কর্মীদের ওপর অতর্কিতভাবে মারপিট করে। প্রাণ নাশের হুমকি দিলে জুম্মন আলীসহ আওয়ামী লীগের কর্মীরা ভোট কেন্দ্র থেকে নিজ নিজ বাড়ি চলে যায়। এক পর্যায়ে রবিবার দুপুর ২টার দিকে তারা ককটেল নিয়ে পূর্ব পরিকল্পিতভাবে জুম্মন আলীর বাড়ি ঘেরাও করে বাড়িতে ককটেল নিক্ষেপ করে। এতে ককটেল বিস্ফোরণে আতঙ্ক হয়ে পরিবারের সদস্যরা প্রাণ ভয়ে চাচাতো ভাইয়ের বাড়িতে আশ্রয় নেন। পরে ঘরের আসবাবপত্র ভাঙচুর, স্বর্ণ ও নগদ ৫২ হাজার টাকা লুট করে নিয়ে যায়।
এছাড়া একই সময় শিবগঞ্জ পৌরসভার ৩ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি কামরান আলী ভিক্ষু ও সাংগঠনিক সম্পাদক শুরুদ্দির বাড়ি-ঘরের আসবাবপত্র ভাঙচুর করে দুর্বৃত্তরা। এর মধ্যে আওয়ামী লীগ কর্মী গিয়াস উদ্দিনের ছেলে আবদুল হামিদ, একই এলাকার মৃত মংলুর ছেলে ইলিয়াস, সাত্তারের ছেলে মুকুল, লায়েসের ছেলে পাতান, আসাদুলের ছেলে আতাবুল আলীর বাড়িতে হামলা, ভাঙচুর ও লুট করে দুর্বৃত্তরা। এ ঘটনায় হামলায় আওয়ামী লীগের ৩ কর্মীর আহত হয়েছেন। চিকিৎসার জন্য মেডিকেলে ভর্তি রয়েছেন। এরমধ্যে একজনের অবস্থা গুরুত্বর হওয়ায় তাকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
আরও পড়ুনঃ ম্যানচেস্টারে ‘আল্লাহু’ বলে তিনজনকে ছুরিকাঘাত
শিবগঞ্জ থানার ওসি সিকদার মশিউর রহমান বলেন, ‘ঘরের আসবাবপত্র ভাঙচুরের ঘটনায় থানায় কেউ অভিযোগ করেননি। অভিযোগ পেলে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
ইত্তেফাক/কেকে
